আরেকটি হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য বাংলাদেশের

বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে সাকিব২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে বিরুদ্ধ কন্ডিশনেও ২-০তে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজেও একই ব্যবধানে জয়ের হাতছানি স্বাগতিকদের। অধিনায়ক সাকিব মনে করছেন, এবারও একই ফল পাওয়া সম্ভব।

মিরপুর টেস্টের আগে টাইগারদের শরীরিক ভাষাই জানান দিয়েছে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করতে কতটা মুখিয়ে তারা। গত জুনের ক্যারিবিয়ান সফরের হোয়াইটওয়াশের হিসাব-নিকাশ মেটাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের কথায় সেটা ফুটে উঠেছে স্পষ্ট। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক বলেছেন, ‘২-০ ব্যবধানে জিততে পারলে বাংলাদেশের জন্য স্পেশাল হবে। আমরা চাই ২-০তে জিততে। তার জন্য যা কিছু করা দরকার, যেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, আমরা সেভাবেই সব করছি।’

কোনও কারণে দ্বিতীয় টেস্ট জিততে না পারলেও সিরিজ হাতছাড়া করতে চান না সাকিব। তাই শুরু থেকেই সফরকারীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার লক্ষ্য স্বাগতিকদের। সাকিবের কথায়, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য সিরিজ জেতা। কোনোভাবে ঢাকায় জিততে না পারলেও ১-০ ব্যবধান যেন ঠিক থাকে। আমরা রক্ষণাত্মকভাবে এগোতে চাই না। আমরা চাই, ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে।’

২০০৯ সালে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে অসাধ্য সাধন করেছিল বাংলাদেশ। সেবার স্বাগতিকদের গুঁড়িয়ে ২-০তে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। যদিও পরের চারটি দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলে সবক’টাতেই হেরেছে বাংলাদেশ। এবার হতাশার সেই বৃত্ত ভাঙতে আত্মবিশ্বাসী এই অলরাউন্ডার, ‘সুযোগ আছে, কিন্তু সুযোগটা কাজে লাগাতে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই উইন্ডিজ দল আরও ভালো খেলতে মুখিয়ে আছে। আমাদের জিততে হলে ওদের থেকে ভালো পারফর্ম করতে হবে। চট্টগ্রামের চেয়ে ভালো পারফর্ম করতে হবে এখানে জিততে হলে। আমাদের নিজেদের ওপর একটা চ্যালেঞ্জ আছে, যেটা আমরা উতরে যেতে পারব বলে আমি আশা করি।’

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তখনকার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ইনজুরিতে অধিনায়ত্ব পেয়েছিলেন সাকিব। ৯ বছর পর আবারও সাকিবের নেতৃত্বেই ক্যারিবিয়ানদের আরও একটি হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ।

চট্টগ্রামে ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে না পারলেও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সাকিব। চোট কাটিয়ে প্রথমবার মাঠে নামায় ফিটনেসের কিছুটা ঘাটতি ছিল তার। তবে ঢাকায় আগের চেয়ে ভালো জায়গায় থেকে মাঠে নামতে পারবেন বলে আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘আগের টেস্টের তুলনায় একটু ভালো অবস্থায় আছি। তিন দিনে টেস্ট শেষ হওয়ার রিকভারির টাইম ছিল। আমি নিশ্চিত আগের টেস্টের চেয়ে শারীরিকভাবে ভালো অবস্থানে থেকে মাঠে নামতে পারব। আশা করি নিজেকে উজাড় করে দিতে পারব।’