২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেবার ঘরের মাঠে ফেভারিট হয়েও শিরোপা জিততে পারেনি বাংলাদেশ। মিরপুরের সেমিফাইনালে ক্যারিবীয়দের কাছে মিরাজের দলের ৩ উইকেটে হার নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম ‘ট্র্যাজেডি’। ২৪২ রানের পাশাপাশি ১২ উইকেট শিকার করে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার জিতেও তাই হাসতে পারেননি মিরাজ।
কাকতালীয়ভাবে, মিরপুর টেস্টেও মিরাজের উইকেট ১২টি, যার মধ্যে চার বারই তার শিকার হেটমায়ার। দুরন্ত ঘূর্ণিতে ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে তরুণ অফস্পিনারই দ্বিতীয় টেস্টের সেরা খেলোয়াড়। ম্যাচশেষে সংবাদ সম্মেলনে হেটমায়ারের বিপক্ষে সাফল্যের কারণ হিসেবে তিনি বললেন, ‘ওর বিপক্ষে আমি অনেক ম্যাচ খেলেছি। দুটো যুব বিশ্বকাপে খেলেছি, এখন জাতীয় দলেও খেলছি। ওর সম্পর্কে অনেক কিছুই আমার জানা। তাই ওর বিপক্ষে পরিকল্পনা করা সহজ হয়েছে আমার জন্য।’
চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে তিন উইকেট পেলেও মিরপুরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মিরাজের। নিজের বোলিং নিয়ে তার বিশ্লেষণ, ‘ঠিক জায়গায় ধারাবাহিকভাবে বল করেছি, তাই উইকেট পেয়েছি। ঠিক জায়গায় বল করতে না পারলে হয়তো উইকেটও পেতাম না, ওদের অনেক রানও হয়ে যেত।’
ম্যাচে ১২ উইকেট আগেও পেয়েছেন মিরাজ। দুই বছর আগে জীবনের দ্বিতীয় টেস্টেই ১২ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। দুটোর মধ্যে আগেরটাকেই এগিয়ে রাখছেন ২১ বছর বয়সী স্পিনার, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই পারফরম্যান্স ছিল আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট। তাই সেটাকে এগিয়ে রাখবো। এখন আমি আগের চেয়ে অভিজ্ঞ। কোথায় বল করলে উইকেট পাবো, কীভাবে রান আটকে রাখা যাবে বুঝতে পারি। তবে এবারের ১২ উইকেট শিকারও কম প্রাপ্তি নয়।’