আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্রিমিয়ার লিগে একই আম্পায়ারকে দিয়ে কোনও একটি বিশেষ দলের খেলা পরিচালনা করার অভিযোগ ওঠে প্রায়ই। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ লিগের অবস্থা আরও খারাপ। তৃতীয় বিভাগে ম্যাচ না খেলেও ফল হওয়ার ‘কীর্তি’ আছে! গত মৌসুমে দ্বিতীয় বিভাগের একটি ম্যাচে আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে এক ওভারে ৯২ রান দিয়ে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন এক বোলার।
বুধবার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ঘরোয়া ক্রিকেটের অনিয়ম দূর করার প্রতিজ্ঞা ফুটে উঠেছে বিসিবি সভাপতির কণ্ঠে, ‘গত মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে কিন্তু তেমন বিতর্ক হয়নি। আমাদের এখন প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগে নজর দিতে হবে। সেই সঙ্গে জেলার ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে হবে। সব কিছু নিখুঁত হতে কিছুটা সময় তো লাগবেই। অবশ্যই আম্পায়ারিংয়ে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। আম্পায়ারিং ঠিক করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ক্লাবের ম্যাচগুলোতে আম্পায়ারদের অনেক দাপট থাকে। তবে বোর্ড যদি মনে করে যে আম্পায়ারিং সুষ্ঠু হচ্ছে না, তাহলে এ ব্যাপারে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’
আম্পায়ারিং নিয়ে সব বিতর্ক দূর করতে বদ্ধপরিকর নাজমুল হাসান, ‘একদিনে সব ঠিক করা যায় না। আমি ধীরে ধীরে এগোনোর চেষ্টা করছি। আম্পায়ারিং ক্রিকেটের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদি আউট না হলেও আউট দেওয়া হয়, তাহলে তো মুশকিল। আমি এখন থেকে নিখুঁত আম্পায়ারিং চাই। আম্পায়ারদের কাছে এটাই আমার বার্তা। আমি এ সমস্যার শেষ দেখে ছাড়বো।’