বিপিএল শুরু হওয়ার আগের দিন দল নিয়ে মাশরাফি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘এবার আমাদের দলটা ভালো, ভারসাম্যপূর্ণ। আমাদের এখনও সব প্লেয়ার আসেনি। গতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, তাই আমাদের নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা বেশি। এবার অবশ্য আমরা গতবারের চেয়েও শক্তিশালী।’
গত আসরে রংপুরে খেলা রুবেল হোসেন ও লাসিথ মালিঙ্গা এবার নেই। বোলিং আক্রমণ নিয়ে তাই কিছুটা চিন্তিত মাশরাফি, ‘আমাদের বোলিং আক্রমণ কিছুটা দুর্বল হলেও আশা করি তা কাটিয়ে উঠতে পারবো। বোলিংয়ের শুরুতে আমি আছি, শফিউল আর ফরহাদ রেজা আছে। দুই-একজন বিদেশি বোলারও আছে। এভাবেই চালাতে হবে। একটা টিমের সব কিছু শক্তিশালী হওয়া কঠিন।’
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে রংপুরের প্রতিপক্ষ চিটাগং ভাইকিংস। প্রথম ম্যাচ বলেই মাশরাফির কণ্ঠে বাড়তি সতর্কতা, ‘প্রথম ম্যাচ প্রত্যেক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক-দুজন খেলোয়াড়ই ম্যাচ বদলে দিতে পারে। চিটাগং ভাইকিংস শক্তিশালী দল। আসলে এবারের বিপিএলে ৭টি দলই ব্যালান্সড। আমার তো মনে হচ্ছে টুর্নামেন্টটা জমজমাট হবে।’
চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক হিসেবে চাপ অনুভব করছেন কিনা প্রশ্নে তার জবাব, ‘প্রত্যেকবার তো চাপ নিয়েই টুর্নামেন্ট শুরু করি। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নের ওপরে সবসময় বাড়তি চাপ থাকে। কারণ ভালো দল গড়েও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গ্যারান্টি থাকে না টি-টোয়েন্টিতে।’
ক্রিস গেইল খেলছেন প্রথম আসর থেকে। টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানের সঙ্গে এবার দেখা যাবে এবি ডি ভিলিয়ার্স, স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে। এত তারকার আগমন বিপিএলকে আরও আকর্ষণীয় করবে বলে মাশরাফির বিশ্বাস, ‘এবার বেশ কয়েকজন ভালো প্লেয়ার এসেছে। অবশ্যই এবারের আসর দিয়ে বিপিএলের গ্রাফ ওপরের দিকে উঠবে।’
এই প্রথম সংসদ সদস্য হিসেবে মাঠে নামছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। তবে এ নিয়ে মোটেও উচ্ছ্বাস নেই মাশরাফির মনে, ‘আমি খেলোয়াড় হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। মাঠে নামবো খেলোয়াড় হিসেবে, সংসদ সদস্য হিসেবে নয়। তাই এ নিয়ে বিশেষ কোনও অনুভূতি নেই আমার মধ্যে।’