বিকেল ৪টা ২৩ মিনিটে স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিদ্যুতের একটি খুঁটিতে শর্ট সার্কিট থেকে ঘটনার সূত্রপাত। ওই খুঁটি থেকে অন্য একটি খুঁটিতে নতুন করে সরবরাহ লাইন টানার প্রয়োজন হয়। সেজন্য প্রায় পৌনে এক ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিল না স্টেডিয়ামে। জেনারেটর ব্যবহার করে ওই সময় কাজ চালাতে হয়েছে।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের প্রশাসন ব্যবস্থাপনা কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ‘স্টেডিয়াম ও আশেপাশের এলাকায় ৪টা ২০ মিনিটের পর বিদ্যুৎ চলে যায়। আমরা জেনারেটর দিয়ে ভিআইপি স্ট্যান্ড, দুই দলের ড্রেসিংরুম, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড, মিডিয়া সেন্টার, প্রেসবক্স সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করি। স্টেডিয়ামের অন্যান্য জায়গা বিদ্যুৎহীন ছিল।’
জেনারেটর চললেও ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না প্রেসবক্সে। এমনকি টেলিভিশনও চলেনি সেখানে। জায়ান্ট স্ক্রিন আর ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ড বন্ধ ছিল। যে কারণে সমস্যায় পড়তে হয়েছে ক্রিকেটারদের।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নতুন কিছু নয়। ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ চলার সময় দুই দফা বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছিল। সেদিন বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে চলে যায় বিদ্যুৎ। প্রায় ২০ মিনিট পর বিদ্যুৎ এলেও সোয়া পাঁচটার সময় আবার অন্ধকার হয়ে যায় স্টেডিয়াম।
২০১৬ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ওয়ানডে চলার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ৮ মিনিট বন্ধ ছিল খেলা। সে বছরই যুব বিশ্বকাপের আগে আফগানিস্তান-নেদারল্যান্ডস প্রস্তুতি ম্যাচ চলার সময় দুবার বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল।