জোহানেসবার্গে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেটে ১৮৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্যে নেমে পাকিস্তান করে ৭ উইকেটে ১৮১ রান।
জাননেম্যান মালান ও রিজা হেনড্রিকসের ব্যাটে শুরুটা ভালো করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ইমাদ ওয়াসিমের কাছে মালান (৩৩) বিদায় নিলে ভাঙে ৫৮ রানের উদ্বোধনী জুটি। হেনড্রিকস ২৮ রানে রানআউট হলে ব্যাট করতে নামেন মিলার।
মিলারকে ৩৬ রানের জুটি গড়তে সঙ্গ দেন রাসি ফন ডার ডাসেন। ২৭ বলে ১ চার ও ৪ ছয়ে ৪৫ রান করেন তিনি। শেষ দিকে আরও গতিময় ব্যাটিং করেন মিলার। ২৯ বলে ৪টি চার ও ৫টি ছয়ে ৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। অন্য প্রান্তে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন হেনরিখ ক্লাসেন।
১৮৯ রানের লক্ষ্যে শুরু থেকে মারকুটে ছিলেন বাবর। চার ওভারে স্কোরবোর্ডে ৪৫ রান তোলে ফখর জামানের সঙ্গে তার এই জুটি। ১৪ রানে বেউরান হেনড্রিকসের শিকার হন ফখর।
ক্রিস মরিস ও আন্দিল ফেলুকায়োর জোড়া আঘাতে বিধ্বস্ত হয় সফরকারীদের ব্যাটিং লাইন। বাবর আউট হওয়ার পরের ওভারে আসিফ আলীকে (২) হেনড্রিকসের ক্যাচ বানান ফেলুকায়ো।
৩৯ বলে হাফসেঞ্চুরি করা তালাত পরের ওভারে মরিসের শিকার হন। বোল্ড হয়ে থামে তার ৪১ বলে ৫৫ রানের ইনিংস। একটি চার মেরে ধাক্কা কাটানোর ইঙ্গিত দিলেও ওই ওভারেই মরিসের কাছে বোল্ড হন ইমাদ ওয়াসিম (৫)।
শেষ ওভারে ১৫ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। শোয়েব মালিকের প্রথম বলের বাউন্ডারিতে ফের জয়ের স্বপ্ন জাগে তাদের। কিন্তু ফেলুকায়োর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পরের দুই বলে একটি করে রান নেন মালিক ও হাসান আলী। তবে চতুর্থ বলে মালিককে ৬ রানে স্কয়ার লেগে ফন ডার ডাসেনের ক্যাচ বানান প্রোটিয়া পেসার। তার সুইংয়ে পরের বলে বোল্ড হন হাসানও। মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করতে পারেননি ফেলুকায়ো। কিন্তু শেষ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়ে ঠিকই সতীর্থদের সঙ্গে জয়ের উৎসব করেছেন তিনি।
ফেলুকায়ো সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি করে পান বেউরান ও মরিস।
ম্যাচসেরা হয়েছেন মিলার। ৬ ফেব্রুয়ারি হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে তৃতীয় ম্যাচে প্রোটিয়াদের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।