বছর তিনেক আগে রবি ‘ফাস্ট বোলার হান্ট’ কর্মসূচি থেকে উঠে আসা এবাদত বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন। দুই বছর ধরে হাই পারফরম্যান্স দলের নিয়মিত সদস্য তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সিলেট বিভাগের হয়ে তার অভিষেক ২০১৬ সালে। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে ১৯ ম্যাচে ৫৯ উইকেট শিকার করে মন জয় করে নিয়েছেন নির্বাচকদের। বিশেষ করে গত নভেম্বরে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) একটি ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়ে দাবি জোরালো করেছেন টেস্ট দলে।
২০১৬ সালের নভেম্বরে বিসিবির ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন এবাদত। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত ২৫ বছর বয়সী পেসার, ‘খুব ভালো লাগছে। সবারই জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন থাকে। নিউজিল্যান্ডে মাঠে নামার সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়েছিলাম। আশা করি, এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবো।’
এবারের বিপিএলে সিলেট সিক্সার্সের জার্সিতে চারটি ম্যাচ খেলা এবাদতের পারফরম্যান্স ভালোই। ৭.৬১ ইকোনমি রেটে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে মাত্র ১৭ রানে শিকার করেছেন ৪ উইকেট। সেদিন সিলেটকে জয় এনে দিয়ে এবাদতই ম্যান অফ দ্য ম্যাচ।
সিলেটে কোচ হিসেবে ওয়াকার ইউনিসকে পেয়ে দারুণ খুশি এবাদত। রিভার্স সুইংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে বিশাল অবদান রাখা পাকিস্তানের কিংবদন্তি ফাস্ট বোলারের কাছ থেকে যতটা সম্ভব শেখার চেষ্টা করেছেন তিনি, ‘ওয়াকার ইউনিসের অধীনে খুব বেশি অনুশীলন করার সুযোগ পাইনি। তবে রিভার্স সুইং নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছি, কাজ করেছি। আশা করি, তার পরামর্শ কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ডে সাফল্য পাবো।’