আলোকিত সাব্বিরে আবাহনীর জয়

হাফসেঞ্চুরির পর ২ উইকেট পেয়েছেন সাব্বির (ফাইল ছবি)জাতীয় দলের পারফরম্যান্স ক্লাব ক্রিকেটেও ধরে রাখলেন সাব্বির রহমান। তার চমৎকার অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন টি-টোয়েন্টি লিগে জয় পেয়েছে আবাহনী। সোমবার তারা ২৫ রানে হারিয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে।

নিউজিল্যান্ড সফরের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ বাজেভাবে হারলেও আলো ছড়িয়েছেন সাব্বির। শেষ ম্যাচে পেয়েছেন সেঞ্চুরিও। জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেও থাকলেন ছন্দে। তার ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ভর দিয়ে আবাহনী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করে ১৫০ রান। ব্যাটের পর বল হাতেও জ্বলে ওঠেন তিনি। সাব্বিরের চমৎকার বোলিংয়ে ব্রাদার্স ৭ উইকেটে করতে পারে ১২৫ রান।

শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা আবাহনীর শুরুটা ভালো ছিল না। ৭ রানের মধ্যে তারা হারায় দুই ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার (৩) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (৩) উইকেট। ওই অবস্থা থেকে দলকে টেনে তোলেন সাব্বির। সময় উপযোগী ব্যাটিংয়ে ঠাণ্ডা মাথায় পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। ৪৩ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় তিনি করেন ৫৮ রান।

তার সঙ্গে জাহিদ জাভেদের ৪৪ রান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ব্যাটসম্যান ৩৩ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪৪ রান। ২৩ রান আসে অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাট থেকে। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মেহেদী হাসান ২৬ রান দিয়ে পান ২ উইকেট। রনি হোসেনেরও শিকার ২ উইকেট।

১৫১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় ব্রাদার্স। অবশ্য ফজলে মাহমুদের (০) আউটের পর তারা ঘুরে দাঁড়ায় মিজানুর রহমান (৩০) ও ইয়াসির আলীর (৪১) ব্যাটে। কিন্তু পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা সুবিধা করতে পারেননি। ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক শরিফউল্লাহ।

আবাহনীর জয়ের পথে সবচেয়ে সফল বোলার নাজমুল ইসলাম। এই স্পিনার ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। তবে তার চেয়েও কার্যকরী ছিলেন সাব্বির। ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা তাই তার হাতেই মানায়।