ফাফ দু প্লেসির সেঞ্চুরিতে জোহানেসবার্গের প্রথম ওয়ানডে প্রোটিয়ারা জিতেছে ৮ উইকেটে। বোলারদের চমৎকার পারফরম্যান্সে ৪৭ ওভারে স্বাগতিকরা শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করে ২৩১ রানে। সহজ লক্ষ্য মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ৬৭ বল আগেই টপকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল দু প্লেসিরা।
টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন প্রোটিয়া বোলাররা। ২৩ রানের মধ্যে তারা ফেরায় লঙ্কান দুই ওপেনার নিরোশান ডিকবেলা (৮) ও উপুল থারাঙ্গাকে (৯)। দুজনই লুঙ্গি এনগিদির শিকার। শুরুর ধাক্কা অবশ্য কাটিয়ে ওঠে সফরকারীরা কুশল পেরেরা ও ওশাদা ফার্নান্ডোর ব্যাটে। তৃতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৭৬ রান। ইমরান তাহিরের বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসবন্দি হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ৩৩ রান করা কুশল পেরেরা।
খানিক পর দুঃখজনক রান আউটে ওশাদা (৪৯) ফিরে গেলে আবার চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। এরপর কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়লেও লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় স্কোর খুব বেশিদূর নিতে পারেনি সফরকারীরা। কুশল মেন্ডিস করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৬০ রান। ৩৯ রান আসে ধনাঞ্জয় ডি সিলভার ব্যাট থেকে।
শ্রীলঙ্কাকে অল্পতে আটকে রাখার পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা এনগিদি ও তাহিরের। দুজনই পেয়েছেন ৩টি করে উইকেট।
২৩২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুতেই রিজা হেনড্রিকসের (১) উইকেট হারালেও ডি কক ও দু প্লেসির ব্যাটে জয়ের পথে এগিয়ে যায়। ডি কক ৮১ রানে ফিরলেও দু প্লেসি তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি। ডি কক তার ৭২ বলের ইনিংসটি সাজান ১১ বাউন্ডারিতে।
সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ১১২ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা দু প্লেসি। ১১৪ বলের ইনিংসে তিনি ১৫ চারের সঙ্গে মেরেছেন এক ছক্কা। যোগ্য সঙ্গ পেয়েছেন ৩২ রানে অপরাজিত থাকা রাসি ফন ডের ডুসেনের কাছ থেকে। ক্রিকইনফো
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ৪৭ ওভারে ২৩১ (কুশল মেন্ডিস ৬০, ওশাদা ফার্নান্ডো ৪৯, ধনাঞ্জয় ডি সিলভা ৩৯, কুশল পেরেরা ৩৩; তাহির ৩/২৬, এনগিদি ৩/৬০)।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৩৮.৫ ওভারে ২৩২/২ (দু প্লেসি ১১২* ডি কক ৮১, ফন ডের ডুসেন ৩২*; বিশ্ব ফার্নান্ডো ১/৪৩, আকিলা ধনাঞ্জয়া ১/৫২)।
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: ফাফ দু প্লেসি।