খাজার ১০৪ রানের সঙ্গে অ্যারন ফিঞ্চের ৯৩ রানে ভর করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ৫০ ওভারে স্কোরে জমা করে ৫ উইকেটে ৩১৩ রান। কঠিন লক্ষ্যে বিরাট কোহলি টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূরণ করলেও জেতাতে পারেননি দলকে। তার ১২৩ রানের ইনিংসের পরও ভারত ৪৮.২ ওভারে অলআউট ২৮১ রানে। সফরকারীদের এই জয়েরও পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভারত এগিয়ে ২-১ ব্যবধানে।
আসলে রাঁচির ম্যাচে কোহলি ছাড়া ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ওপেনিংয়ে আরেকবার ব্যর্থ শিখর ধাওয়ান। বিশ্বকাপের আগে ফর্মহীনতায় ভোগা ধাওয়ান মাত্র ১ রান করে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। রোহিত শর্মাও অবদান রাখতে পারেননি, আউট ১৪ রানে। রোহিতকে ফেরানো প্যাট কামিন্স দুর্দান্ত ডেলিভারিতে আম্বাতি রাইডুকে বোল্ড করলে ভারত ২৭ রানে হারায় ৩ উইকেট।
ওই জায়গা থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন কোহলি ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। ঘরের মাঠ রাঁচিতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ খেলতে নেমে ধোনি আউট ২৬ রানে। ভারতীয় উইকেটরক্ষককে আউট করা অ্যাডাম জাম্পার শিকার হয়ে কেদার যাদব (২৬) প্যাভিলিয়নে ফিরলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ভারত।
১০ ওভারে ৭০ রান খরচ করলেও অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কার্যকরী বোলার জাম্পা। এই স্পিনারের শিকার ৩ উইকেট। তার সমান ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন প্যাট কামিন্স ও ঝাই রিচার্ডসন।
এর আগে রাঁচিতে রান উৎসব করেছেন অস্ট্রেলিয়ান দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও উসমান খাজা। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১৯৩ রান। ভারতীয় বোলারদের কঠিন পরীক্ষা নিয়ে খাজা তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ১১৩ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় ম্যাচসেরার পুরস্কার জয়ী এই ব্যাটসম্যান খেলেন ১০৪ রানের ঝলমলে ইনিংস। ফিঞ্চ একটুর জন্য মিস করেছেন শতক। ৯৯ বলে তিনি করে যান ৯৩ রান, যাতে ছিল ১০ বাউন্ডারির সঙ্গে ৩ ছক্কার মার।
তাদের গড়ে দেওয়া ভিতে দাঁড়িয়ে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩১ বলে করেন ৪৭ রান। মার্কাস স্টোইনিস অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের দাপটের সামনে ৪৪ রান খরচায় ৩ উইকেট পেয়েছেন বিজয় শঙ্কর। ক্রিকইনফো