পাঁজরের চোট নিয়ে শেষ ওয়ানডে খেলতে গিয়ে ডান হাতের আঙুলে ব্যথা পান। এরপর টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে কব্জির পুরানো চোট ফিরে আসে। হ্যামিল্টন ও ওয়েলিংটনে এই চোট খেলতে দেয়নি তাকে।
সাকিব আল হাসানের সঙ্গে মুশফিকের অনুপস্থিতি ব্যাটিং অর্ডারে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছিল। বিশেষ করে মিডল অর্ডারে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের অভাব টের পাওয়া গেছে ভালোভাবে। হ্যামিল্টনে ইনিংস ও ৫২ রানে হারের পর ওয়েলিংটনেও ভাগ্য বদলায়নি। মাত্র আড়াই দিনে ইনিংস ও ১২ রানে হেরে সিরিজও খুঁইয়েছে তারা।
মুশফিক ফিরলে দলে শক্তি বাড়বে নিশ্চিত। ক্রাইস্টচার্চে তিনি ফিরবেন বিশ্বাস খালেদ মাসুদের, ‘এই মুহূর্তে মুশফিকের অবস্থা খুব ভালো। শনিবার শুরু হতে যাওয়া শেষ টেস্টে সে খেলতে পারবে আশা করি। নেটে সাবলীল ব্যাটিং করছে সে। কোনও বলেই তাকে ছন্দহীন মনে হয়নি। সব মিলিয়ে শেষ টেস্টে তার ফেরার ব্যাপারে পুরো টিম ম্যানেজমেন্ট আত্মবিশ্বাসী।’
টিম ম্যানেজার আরও যোগ করেন, ‘এই মুহূর্তে নতুন করে কোনও কিছু (চোট) না হলে মুশফিকের না খেলার কোনও কারণ দেখি না। তার বর্তমান অবস্থা দেখে আমরা দারুণ খুশি।’
দ্বিতীয় টেস্টেই মুশফিককে খেলানোর চিন্তা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। নেট সেশনেও অংশ নেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান, কিন্তু সেখানেই বাধে বিপত্তি। অনুশীলনে ব্যাটিং করলেও ব্যথা অনুভব করায় টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে নামিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি।
খালেদ মাসুদ বলেন, ‘মুশফিক দ্বিতীয় টেস্টেই খেলতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু নেটে ব্যাটিং অনুশীলনের সময় লিগামেন্টে ব্যথা অনুভব করে। যে কারণে আমরা ঝুঁকি নেইনি।’ বাসস।