প্রাইম দোলেশ্বর-গাজী গ্রুপ
মিরপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে দারুণ শুরু করে দোলেশ্বর। মাত্র ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। পারভেজ রাসূল ও শামসুর রহমানের ১০৪ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। রাসূলকে ৬৭ রানে বিদায় করে ব্রেকথ্রু আনেন আরাফাত সানি।
৭৭ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ, এই সময়ে শামসুরের ৪৫ রান ছিল উল্লেখ করার মতো। ৯.১ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে তাদের গুটিয়ে দেন। ৪৯.১ ওভারে ২৩০ রানে অলআউট হয় গাজী গ্রুপ।
দোলেশ্বরের পক্ষে তিনটি উইকেট নেন সৈকত আলী, দুটি আরাফাত সানির।
লক্ষ্যে নেমে সাইফের সেঞ্চুরিতে সহজ জয় পায় দোলেশ্বর। ১২৪ বলে চারটি চার ও ছয়টি ছয়ে ১০২ রান করেন তিনি। দলীয় স্কোর ১৮৯ রানে রেখে আউট হন এই ওপেনার। ফরহাদ ১০ বলে ১ চার ও ২ ছয়ে ২১ রান করে দোলেশ্বরকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। এছাড়া সাদ নাসিম ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। মার্শাল আইয়ুবের ব্যাটে আসে ৩২ রান।
৪৫.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ২৩১ রান করে দোলেশ্বর। ম্যাচসেরা হয়েছেন ফরহাদ। ৪ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে দোলেশ্বর।
ফতুল্লায় বোলারদের নৈপুণ্যে বিকেএসপিকে হারিয়েছে খেলাঘর। ওপেনার রবিউল ইসলাম রবি ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটে ৮ উইকেটে ২১২ রান করেও জিতেছে তারা। ৯ উইকেটে ১৮৫ রানে থামে বিকেএসপি।
আগে ব্যাট করতে নেমে রবির ৭৫ ও মাহিদুলের ৪৯ রানের ইনিংসে লড়াই করার মতো রান স্কোরবোর্ডে তোলে খেলাঘর।
বিকেএসপির পক্ষে হাসান মুরাদ ৩টি ও শামীম হোসেন দুটি উইকেট নেন।
লক্ষ্যে নেমে শামীম ছাড়া বিকেএসপির পক্ষে আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৫৬ রান করেন তিনি।
রবি, ইফরান হোসেন, রবিউল হক ও মাসুম খান খেলাঘরের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন রবি। চার ম্যাচে ২ পয়েন্ট খেলাঘরের।
তিনটি হাফসেঞ্চুরিতে সাভারে ৮ উইকেটে ২৬৪ রান করে উত্তরা। কিন্তু ব্রাদার্স পাল্টা জবাব দেয় এক সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটিতে। ৪৮.২ ওভারে ২ উইকেটে ২৬৭ রান করে তারা। চার ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট ব্রাদার্সের।
উত্তরা আগে ব্যাটিং নেয়। তানজিদ হাসান ইনিংস সেরা ৭৫ রান করেন। এছঅড়া অধিনায়ক মোহাইমিনুল খানের ৬৪ ও আনিসুল ইসলাম ইমনের ৫৮ রান কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
ব্রাদার্সের পক্ষে সিএজ জানি ও শরিফউল্লাহ দুটি করে উইকেট নেন।
লক্ষ্যে নেমে ব্রাদার্সের জয়ের ভিত গড়ে দেয় মিজানুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর ১৬১ রানের উদ্বোধনী জুটি। ১১৩ বলে ১০ চার ও ৫ ছয়ে ১০৮ রান করে মিজান বিদায় নেন।
তারপর ফজলে মাহমুদের সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি গড়ে মাঠ ছাড়েন জুনায়েদ। ৮ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরে যান ব্রাদার্স ওপেনার। ১১২ বলে ৫ চারে ৯২ রান করেন এই ওপেনার। হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ৫৭ রানে অপরাজিত থেকে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন ফজলে। অন্য প্রান্তে জানি ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন জয়ী দলের ওপেনার মিজান।