স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে হয়েছে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ। এই ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বোর্ড প্রধান। সেখানেই আগামী বিশ্বকাপের দল কেমন হতে পারে, এ ব্যাপারে ধারণা দেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার আগে ড্রেসিং রুমে বসে অধিনায়ক মাশরাফির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলাপ করেছেন বোর্ড প্রধান।
পুরোনোদের নিয়েই বিশ্বকাপের দল সাজানো হবে, বোর্ড প্রধানের ইঙ্গিত তেমনই। বিশ্বকাপ দলে চমক থাকছে কিনা, এমন প্রশ্নে নাজমুল বলেছেন, ‘চমকের বিষয় এখানে নেই। আমরা ১৫ জনের একটা দল বানাবো। তামিমের সঙ্গে দুই ওপেনার সৌম্য কিংবা লিটন খেললে ওপেনারের কোটা শেষ। সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ তো অটোমেটিক চয়েজ। পেসারের মধ্যে মোস্তাফিজ, মাশরাফি, রুবেল তো আছেই। এই তিনজন ছাড়া বাড়তি পেসার নিলে তাসকিন আর সাইফউদ্দিন চলেই আসে।’
সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘স্পিনার হিসেবে মিরাজকে তো নিতেই হবে। মিডল অর্ডারে ব্যাকআপ হিসেবে মিঠুন আছে, সাব্বির আছে। সব মিলিয়ে ১৪ জন কিন্তু হয়ে গেছে। এর বাইরে নতুন কারও সম্ভাবনা খুবই কম। আমি বলছি না যে হবে না, হতেও পারে। ঘরোয়া ক্রিকেটে যতই ভালো করুক না কেন, একটা নতুন ছেলের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গিয়ে সফল হওয়ার কঠিন। কাজেই যে যতই ভালো করুক, হুট করে বিশ্বকাপ খেলে ফেলবে, এই সম্ভাবনা খুবই কম।’
গুনে গুনে ১৪ জনের নাম শুরুতেই বলে দেন বোর্ড প্রধান। বাকি একজনের ব্যপারেও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন বিসিবি প্রধান, ‘এর বাইরে মোসাদ্দেক থাকতে পারে। আরেকটা পেসার নেওয়ার আমি কোনও কারণ দেখি না। ব্যাটসম্যান হিসেবে সাত-আটের কথা ভাবলে মোসাদ্দেক আসতে পারে।’
ব্যাটিং অর্ডারে সাত নম্বর পজিশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের দলের পাশাপাশি বোর্ড প্রধান সাত নম্বর পজিশন নিয়েও পরামর্শ দিলেন, ‘সাত নম্বরে সাইফউদ্দিন আছে, মিরাজ আছে, সাব্বির আছে। আবার সৌম্যও অভ্যস্ত এই পজিশনে খেলে। ওই পজিশনে কে খেলছে, সেটা আমি এখনও জানি না। যদি ধরেন তামিম আর লিটন ওপেন করে, তাহলে তিন নম্বরে সাকিবের খেলার সম্ভাবনা খুব বেশি। চারে তো মুশফিক। পাঁচে মিঠুন বা এ রকম কেউ একজন। ছয়ে রিয়াদ। সাতে তখন সৌম্য আসতে পারে। এ ছাড়া আছে সাব্বির কিংবা সাইফউদ্দিন।’