রূপগঞ্জ-উত্তরা
জয়রথ ছুটছে রূপগঞ্জের। আবাহনীকে হারিয়ে আগের ম্যাচে শীর্ষে বসা দলটি উড়িয়ে দিয়েছে উত্তরা স্পোর্টিংকে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পেয়েছে তারা ৯ উইকেটের বড় জয়। এবারের ডিপিএলে এটা রূপগঞ্জের টানা অষ্টম জয়। মার্চে প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে তারা দেখেছে চলতি মৌসুমের একমাত্র হার।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মোটেও সুবিধা করতে পারেননি উত্তরার ব্যাটসম্যানরা। আনিসুল ইসলামের (৫৫) হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে মিনহাজুল আবেদীনের ৩৭ ও সৈকত হোসেনের ৩৩ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে উত্তরা করে ১৮০ রান।
প্রতিপক্ষকে অল্পকে আটকে রাখার পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নাবিল সামাদের। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা রূপগঞ্জের বাঁহাতি স্পিনার ১০ ওভারে মাত্র ২৯ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট।
১৮১ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুধু হাফসেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ নাঈমের (৬৩) উইকেট হারিয়ে ৫৬ বল আগেই জয় নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ। মেহেদী মারুফ অপরাজিত থাকেন ৬২ রানে, আর মুমিনুল হক খেলা শেষ করেন ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে।
ব্রাদার্স-প্রাইম দোলেশ্বর
হারের বৃত্তে আটকে ছিল ব্রাদার্স। টানা ছয় ম্যাচে মাঠ ছাড়তে হয়েছে হারের হতাশা নিয়ে। অবশেষে বৃত্তটা ভেঙেছে তারা। বুধবার শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বরকে ১ উইকেটে হারিয়েছে ব্রাদার্স।
ফতুল্লায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তাইবুর রহমান ও মার্শাল আইয়ুবের হাফসেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে প্রাইম দোলেশ্বর ৫ উইকেটে করে ২৫০ রান। তাইবুর অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে, আর মার্শাল করেন ৫০ রান। এছাড়া ৪০ রান করে অবদান রাখেন ফরহাদ হোসেন।
২৫১ রানে লক্ষ্যটা ১ বল আগে টপকে যায় ব্রাদার্স। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা ফজলে মাহমুদের ৭৪ রানের ইনিংসে ৯ উইকেট হারিয়ে ছয় ম্যাচ পর প্রথমবার জয়ের দেখা পায় তারা। এছাড়া ওপেনার মিজানুর রহমান ৪২ ও শরিফউল্লাহ করেন ৪১ রান।
দোলেশ্বর বোলার আরাফাত সানি ৬২ রানে ৪ উইকেট নিয়েও জেতাতে পারেননি দলকে। ৩ উইকেট নিয়েছেন তার সতীর্থ স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র।