সৌম্যর টানা দ্বিতীয় ফিফটি

সৌম্য সরকারত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের চাই ২৪৮ রান। ডাবলিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই লক্ষ্যে টাইগারদের স্কোর ১৭ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান।

ব্যাক টু ব্যাক হাফসেঞ্চুরি তুলে নিলেন সৌম্য সরকার। এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ফিফটি পূরণ করেছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৬৮ বলে খেলেছিলেন ৭৩ রানের ঝলমলে ইনিংস। বিশ্বকাপের আগের সিরিজে আবারও জ্বলে উঠে মাইলফলকটি স্পর্শ করেছেন তিনি। ৫৯ বলে সৌম্য পূরণ করেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম হাফসেঞ্চুরি।

দারুণ শুরুর পর তামিম বোল্ড

সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবালের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। তবে সতর্ক ব্যাটিং করেও শেষ রক্ষা হয়নি তামিমের। অ্যাশলে নার্সের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে গেছেন এই ওপেনার। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ২৩ বলে ৪ বাউন্ডারি করেন ২১ রান।

এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই সৌম্য সরকার ছিলেন আক্রমণাত্মক। ডাবলিনে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফিরতি ম্যাচেও জ্বলে উঠেছে সৌম্যর ব্যাট। তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ২৪৭

ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে করেছে ২৪৭ রান। সর্বোচ্চ সংগ্রাহক শাই হোপ। বাংলাদেশের বিপক্ষে ‍এবার সেঞ্চুরি না পেলেও তিনি খেলেছেন ৮৭ রানে চমৎকার ইনিংস। অধিনায়ক জেসন হোল্ডারও আলো ছড়িয়েছেন। পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করে তিনি করেছেন ৬২ রান।

মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ বেশিদূর যায়নি। বাঁহাতি ‘কাটার মাস্টার’ ৯ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রথম ম্যাচের সাফল্য এই ম্যাচেও ধরে রেখেছেন। ১০ ওভারে ৬০ রান দিয়ে একটু খরুচে হলেও বাংলাদেশ অধিনায়ক তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। সাকিব আল হাসান ১ উইকেট পেলেও ছিলেন খুব হিসেবি। ১০ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ২৭ রান।