রবিবার ২০১৯ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ স্কোর গড়েছিল বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টাইগারদের করা ৩৩০ রান টপকে গেছে পাকিস্তান। মোহাম্মদ হাফিজের ৮৪, বাবর আজমের ৬৩ ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের ৫৫ রানে ভর দিয়ে রানের পাহাড় গড়েছে ১৯৯২ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে ইমাম-উল-হক ও ফখর জামান যোগ করেন ৮২ রান। ফখরের আউটে পাকিস্তান হারায় প্রথম উইকেট। এই ওপেনার ৪০ বলে করে যান ৩৬, আর ইমামের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ রান।
তাদের গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে বড় জুটি গড়েন বাবর ও হাফিজ। তৃতীয় উইকেটে ৮৮ রানের জুটি গড়ার পথে দুজনই পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। ফর্মের তুঙ্গে থাকা বাবর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩তম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে খেলেন ৬৩ রানের ইনিংস। মঈন আলীর বলে ক্রিস ওকসের হাতে ধরা পড়ে শেষ হওয়া ৬৬ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায়।
হাফিজ ছাড়িয়ে যান তাকেও। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান খেলেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৮তম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে সেঞ্চুরির পথেও হাঁটছিলেন তিনি। যদিও পারেননি, ৮৪ রানে থামতে হয় তাকে মার্ক উডের বলে। ৬২ বলের ঝড়ো ইনিংসে হাফিজ ৮ বাউন্ডারির সঙ্গে মেরেছেন ২ ছক্কা।
হাফিজের দেখানো পথে হেঁটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন সরফরাজও। পাকিস্তানি অধিনায়ক ১১তম ফিফটি পূরণ করে ৪৪ বলে ৫ বাউন্ডারি করে খেলে যান কার্যকরী ৫৫ রানের ইনিংস। আসিফ আলীর ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ১৪। তবে সুবিধা করতে পারেনি এবারের আসরে প্রথমবার মাঠে নামা শোয়েব মালিক (৮)।
যদিও শেষ দিকে হাসান আলী (৫ বলে ১০*) ও শাদাব খান (৪ বলে ১০*) ঝড়ো ব্যাট করলে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে স্কোরে ৩৪৮ রান জমা করে পাকিস্তান।
পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের দাপটের দিনে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল বোলার মঈন। এই স্পিনার ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। ক্রিস ওকসের শিকারও ৩ উইকেট, তবে ৮ ওভারে খরচ করেছেন তিনি ৭১ রান। ২ উইকেট পেয়েছেন মার্ক উড।