লন্ডনের ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ওপেনিং জুটিতে সতর্ক শুরু করে তারা। কিন্তু ম্যাট হেনরির কাছে নবম ওভারে সৌম্য ২৫ রানে বোল্ড হলে ভাঙে ৪৫ রানের এই জুটি।
বেশ দেখেশুনে ব্যাট করছিলেন তামিম। কিন্তু লকি ফার্গুসনের এক শর্ট বলে বাজে শট খেলে বিদায় নেন বাংলাদেশি ওপেনার। ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার গতির বলটি মারতে না চেয়েও খেলেন তামিম, কিন্তু ব্যাটের মাঝামাঝি লেগে বল অনেক উঁচুতে ওঠে। মিডউইকেটে সহজেই ক্যাচ নেন ট্রেন্ট বোল্ট। ৩৮ বলে ৩ চারে ২৪ রান করেন তামিম। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে তার জুটি ছিল মাত্র ১৫ রানের।
৬০ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে পথে ফেরানোর আভাস দেন মুশফিকুর রহিম ও সাকিব। প্রথম ম্যাচের মতোই দুজন ক্রিজ আঁকড়ে ছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হতে হয় মুশফিককে। মিচেল স্যান্টনারের স্পিনে কভারে বল ঠেলে দেন তিনি। এরপর সাকিবকে ডেকেছিলেন রান নেওয়ার জন্য, একই সঙ্গে পিচের মাঝে চলে যান। সাকিব সাড়া দেননি। মুশফিক ফিরে যাওয়ার আগেই মার্টিন গাপটিলের থ্রো থেকে টম ল্যাথাম স্টাম্প ভাঙেন। ৩৫ বলে ১৯ রান করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ভাঙে ৫০ রানের জুটি।
সাকিব আউট হওয়ার পর ক্রিজ আঁকড়ে ধরে ছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন, সঙ্গী ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। দারুণ সব শটে দুজন প্রতিরোধ গড়েন। কিন্তু ম্যাট হেনরির বলে ডি গ্র্যান্ডহোমের ক্যাচ হয়ে শেষ হয় মিঠুনের ইনিংস। হেনরির শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে ডি গ্র্যান্ডহোমের হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশের ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৩৩ বলে ৩ চারে ২৬ রান করেন মিঠুন।
আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি ক্রিজে। মিডল অর্ডারের নির্ভরশীল ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ বিদায় নেন মাত্র ২০ রান করে। তার ৪১ বলের ইনিংসে ছিল না কোনও বাউন্ডারি। মিচেল স্যান্টনারের বলে কভারে কেন উইলিয়ামসনের ক্যাচ হন তিনি।
বোল্ট তার পরের ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজকে (৭) ক্যাচ বানান ল্যাথামের। শেষ ওভারে পরপর দুই বলে মাশরাফি মুর্তজা (১) ও সাইফউদ্দিনকে ফেরান হেনরি। সাইফউদ্দিন ২৩ বলে ৩ চার ও ইনিংসের একমাত্র ছয়ে ২৯ রান করে বোল্ড হন।
হেনরি ৯.২ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার। দুটি পান বোল্ট।