৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে স্বাগতিকদের ঠিক উপরে নিউজিল্যান্ড। আর বসে বসে দুটি পয়েন্ট পাওয়া শ্রীলঙ্কা ৪ পয়েন্টে ষষ্ঠ স্থানে। গাণিতিকভাবে এখনও তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে ইংল্যান্ডের পর দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিপক্ষে শেষ তিন ম্যাচে খুব কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে দিমুথ করুণারত্নের দলকে।
অন্যদিকে এই আসরে রান উৎসব করা ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালের পথে বড় ধাপ ফেলবে। ব্যাটিং দুর্দশায় থাকা শ্রীলঙ্কাকে হারালে অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে স্বাগতিকরা। কারণ এরপর অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসল পরীক্ষা হবে তাদের। অবশ্য শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ নিয়ে শক্ত বাধাগুলো দূর করতে আত্মবিশ্বাসী তারা।
জানা গেছে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও থাকছেন না জেসন রয়। জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে আবার সুযোগ পাবেন জেমস ভিন্স। আফগানদের বিপক্ষে মাত্র ২৬ রান করা এই ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় সুযোগটা কাজে লাগাতে চান। চার ম্যাচে তিনশ ছাড়ানো স্কোর গড়া ইংল্যান্ডের রান উৎসবের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আরও একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলতে মুখিয়ে এউইন মরগান। গত ম্যাচে ১৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলার পথে রেকর্ড ১৭ ছয় মারেন তিনি। এছাড়া জো রুট ও বেয়ারস্টো টপ অর্ডারে আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। লাসিথ মালিঙ্গা, থিসারা পেরেরা ও নুয়ান প্রদীপের পেসের পরীক্ষা নিবেন এই তারকা ব্যাটসম্যানরা।
জোফরা আর্চার ও মার্ক উডের তোপ সামলানোর চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কার। প্রত্যেক ম্যাচে তাদের মিডল অর্ডারে ধস নামার নিয়মিত দৃশ্য দেখা গেছে। ওপেনার ও অধিনায়ক করুণারত্নে ভালো শুরু এনে দিলেও যাচ্ছেতাই অবস্থা তাদের মাঝের সারির ব্যাটসম্যানদের। কুশল পেরেরাও বেশ ভালো ফর্মে আছেন। কিন্তু ব্যর্থতা ওই একটি জায়গায়। যার মাশুল তাদের দিতে হয়েছে দুটি হারে। শুধু বৃষ্টির কারণে ২ পয়েন্ট তাদের এনে দিয়েছে স্বস্তি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে কষ্টের জয়ও তাদের রেখেছে নিরাপদ স্থানে।
তাছাড়া হেডিংলিতে নামার আগে শ্রীলঙ্কাকে আশাবাদী করে তুলছে দারুণ স্মৃতি। ২০১১ সালে এখানে সবশেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের হারায় তারা। অবশ্য এরপর থেকে আর কখনও এ ভেন্যুতে হারেনি ইংলিশরা। লঙ্কানদের আরও একটি সাফল্য আছে এই মাঠে। ২০১৪ সালে অঘটন ঘটিয়ে ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারায় তারা। এগুলোই উজ্জীবিত করে রাখছে সৌভাগ্যের ছোঁয়া পাওয়া শ্রীলঙ্কাকে। তাই এক চোখ সেমিফাইনালে থাকলেও এই প্রতিপক্ষকে নিয়ে সতর্ক থাকতেই হচ্ছে বিশ্বকাপের আয়োজকদের।