ভারতকে ৩৩৮ রানের লক্ষ্য দিলো ইংল্যান্ড

৫ উইকেট নিলেন সামিতিন ম্যাচ পর দলে ফিরলেন জেসন রয়। জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে শুরুটাও করলেন দারুণ। কিন্তু বিশাল স্কোরের সম্ভাবনা জাগালেও মোহাম্মদ সামি ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ইংল্যান্ডের লাগাম টেনে ধরেন। রবিবার বার্মিংহামে ভারতকে ৩৩৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ইংলিশরা। অবশ্য তাদের স্কোর প্রত্যাশামতো না হলেও বিরাট কোহলিদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ, কারণ  জিততে হলে বিশ্বকাপে রেকর্ড গড়তে হবে ভারতকে।

বেয়ারস্টোর প্রথম বিশ্বকাপ সেঞ্চুরির সঙ্গে জেসন ও বেন স্টোকসের হাফসেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ৩৩৭ রান করেছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচ জয়ের বিকল্প নেই তাদের সামনে। অবশ্য হারলেও ক্ষীণ আশা নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রাউন্ড রবিনের শেষ ম্যাচ খেলবে স্বাগতিকরা।

শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে টানা হারের পর ইংল্যান্ড ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। টস জিতে ভারতকে বড় লক্ষ্য দিতে তাই ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন এউইন মরগান। জেসনের সঙ্গে বেয়ারস্টোর উদ্বোধনী জুটি ছিল ১৬০ রানের। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে জেসনকে বদলি ফিল্ডার রবীন্দ্র জাদেজার ক্যাচ বানান কুলদীপ যাদব। ৫৭ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৬৬ রানে বিদায় নেন ইংলিশ ওপেনার।

বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি বেয়ারস্টোরএরপর বেয়ারস্টো আবার দাঁড়িয়ে যান জো রুটকে নিয়ে। কিন্তু সামি দুর্দান্ত ব্রেক থ্রু আনেন ৪৫ রানের জুটিটি ভেঙে। ৯০ বলে ৮ চার ও ৬ ছয়ে বিশ্ব মঞ্চে প্রথমবার সেঞ্চুরি উদযাপন করা বেয়ারস্টো থামেন ১১১ রান করে। তার ১০৯ বলের ইনিংসে ছিল আরও দুটি চার।

সামি তার পরের ওভারে অধিনায়ক মরগানকে মাঠছাড়া করেন মাত্র ১ রানে। এই জোড়া ধাক্কা ইংল্যান্ড সামাল দেয় রুটের সঙ্গে স্টোকসের ৭০ রানের জুটিতে। আবারও তাদের বিচ্ছিন্ন করেন সামি। ৪৪ বলে রুটের ক্যাচ নেন হার্দিক পান্ডিয়া।

সামি তার পরের দুই ওভারে জস বাটলার (২০) ও ক্রিস ওকসকে (৭) বিদায় করেন। নিজের প্রথম দুই ম্যাচে টানা ৪ উইকেট নেওয়া ভারতীয় পেসার এবার ছাড়িয়ে গেলেন নিজেকে। ২৮ বছর বয়সী এই ডানহাতি বোলার ক্যারিয়ারে প্রথমবার নেন এক ইনিংসে ৫ উইকেট। ১০ ওভারে ৬৯ রান দেন তিনি এক মেডেন সহ।

এই বিপর্যয়ের মধ্যেও স্টোকসের ৫৪ বলে ৭৯ রানের ইনিংস দারুণ ভূমিকা রাখে। ৬ চার ও ৩ ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে তিনি আউট হন জসপ্রীৎ বুমরাহর বলে।

এর আগে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩২৭ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড হয়েছে। এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ২০১১ সালে ৩২৮ রানের লক্ষ্যে নেমে জিতেছিল আয়ারল্যান্ড।