গত বছর কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর পদত্যাগ করেন লেম্যান। দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে লিডসভিত্তিক দলের প্রধান কোচ হওয়ায় গত সপ্তাহে হেডিংলিতে ফিরেছেন তিনি। এতে করে আর্চারের পারফরম্যান্স বেশ ভালোভাবে দেখেছেন তিনি।
লর্ডস টেস্ট দিয়ে লঙ্গার ভার্সনে অভিষেক হওয়া আর্চার হেডিংলিতে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে অজিদের প্রথম ইনিংস ১৭৯ রানে গুটিয়ে দিতে ৬ উইকেট নেন। লর্ডসে আগের ম্যাচে তার বাউন্সারে আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন স্টিভেন স্মিথ। ২৪ বছরের এই ডানহাতির পেসে মুগ্ধ লেম্যান, ‘সে রোমাঞ্চকর, তার প্রতিভা আছে এবং তাকে দেখতে পারা দারুণ। তার বোলিং অনেকটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পুরানো পেস আক্রমণের মতো, যখন তাদের ছিল অ্যান্ডি রবার্টস, মাইকেল হোল্ডিং, জোয়েল গার্নার, ম্যালকম মার্শাল, কার্টলি অ্যামব্রোস ও কোর্টনি ওয়ালশ।’
প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন ধরানোর সামর্থ্য আর্চারের মধ্যে আছে মনে করেন সাবেক এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ, ‘আর্চার দ্রুত ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে, অনেকটা আমাদের সাবেক খেলোয়াড় মিচেল জনসনের মতো। ফাস্ট বোলিংয়ের মুখোমুখি হতে প্রত্যেকের ভয় আছে। যদি সেটা না থাকে, তাহলে আপনি মানুষ না। তাই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের ক্ষুরধার হতে হবে এবং ভালো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো আমাদের সব ব্যাটসম্যানরা আর্চারকে মোকাবিলা করেছে এবং জানে কী হতে যাচ্ছে।’