দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাইজুল বলেছেন, ‘আজ আমাদের বোলাররা ভালো বল করেছে। আমার মনে হয় ওদের রানটা কমই হয়েছে। আশা করি, কাল ১০ রানের মধ্যে ওদের বাকি ৫ উইকেট তুলে নিতে পারবো।’
‘শুক্রবার সকালে আফগানিস্তানকে অলআউট করা সম্ভব হবে?’ প্রশ্নে তার জবাব, ‘ক্রিকেটে মিরাকল হতেই পারে। এমন কিছু ঘটা অসম্ভব নয়। আজ নাঈম একই ওভারে দুই উইকেট পেয়েছে। ওর বলে দুজন ভালো ব্যাটসম্যান আউট হয়েছে। এরকম তো হতেই পারে।’
গত নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের একাদশে একজনও বিশেষজ্ঞ পেসার ছিল না। ১০ মাসের ব্যবধানে একই চিত্র স্বাগতিক দলে। কিন্তু জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সাকিব-তাইজুল-মিরাজ-নাঈমের ‘স্পিন কোয়ার্টেট’ প্রতিপক্ষের ওপরে প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ। উইকেট নিয়ে তাইজুলের বিশ্লেষণ, ‘আমরা যেমন আশা করেছিলাম উইকেট তেমনই হয়েছে। এই উইকেটে আমাদের বোলাররা ভালোই বল করেছে। প্রথম দিনে পাঁচ উইকেট শিকার ঠিকই আছে। যদিও আরও কয়েকটা উইকেট পেলে ভালো হতো।’
সাকিব আল হাসান আর মোহাম্মদ রফিককে পেছনে ফেলে তিনি এখন টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারী বোলার। ২৫তম ম্যাচে এমন কীর্তি গড়ে তাইজুল উচ্ছ্বসিত, ‘টেস্ট ক্রিকেটে ১০০ উইকেট শিকার করা দারুণ ব্যাপার। আমি নিজে যেমন খুশি, তেমনি আমার কীর্তিতে দলের প্রত্যেকে খুশি।’
আফগানিস্তানের হয়ে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করতে পেরে রহমতও খুশি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আগের টেস্টে আউট হয়েছিলেন ৯৮ রান করে। এবার ‘ম্যাজিক ফিগার’ ছুঁতে পেরে আগের দুঃখ অনেকটাই ভুলতে পেরেছেন তিনি। এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের কথা, ‘আজকে ব্যাট করতে তেমন কষ্ট হয়নি। তবে উইকেট একটু একটু করে ভাঙতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের স্পিনাররা খুবই ভালো। কিন্তু আজ বল টার্ন করাতে বোধহয় বেশ সমস্যা হয়েছে তাদের।’