ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে ২০০০ সালে ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হন আজহার। যদিও অনেক লড়াই চালিয়ে ২০১২ সালে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট তার নিষেধাজ্ঞা অবৈধ ঘোষণা করে, তাতে আবারও ক্রিকেটে ফেরার স্বপ্ন দেখতে থাকেন তিনি। কিন্তু ২০১৭ সালে তার মনোনয়ন বাতিল করলে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেননি। এবার অবশ্য ঝামেলা হয়নি। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জিতে বসেছেন হায়দরাবাদ ক্রিকেটের সভাপতির পদে।
জয়ের পর সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমার মাথায় শুধু তিনটি বিষয় ঘুরছে- ক্রিকেট, ক্রিকেট, ক্রিকেট।’ বড় ব্যবধানে নির্বাচিত হওয়ার পর ২২ গজের খেলাটি নিয়ে নতুন ভূমিকায় এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন তার।
এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আজহারউদ্দিন বলেছেন, ‘আমরা নতুন করে সব কাঠামো দাঁড় করাবো, সব কিছু নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে। সদস্যরা তাদের কাজ করছে, এবার আমি শুরু করব। জানি সহজ হবে না, কিন্তু গত তিন বছর ধরে খেলাটি যেভাবে ভুগছে, সেখান থেকে বের করে আনতে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেবো।’
টেস্ট অভিষেক নাকি রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার প্রধানের দায়িত্ব— কোনটা বেশি স্নায়ুচাপে ভুগিয়েছে? আজহার বললেন, ‘ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য আমি ১৫ বছর কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। এরপর যখন প্রথম টেস্ট খেলতে নামলাম, ভীষণ নার্ভাস ছিলাম। আর এখানে (হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি) আমরা দলীয়ভাবে কাজ করব। আমার বিশ্বাস আমরা আমাদের কাজে সফল হবো।’ ক্রিকইনফো