৬ উইকেটে ২৭০ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করা বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৬০ রানে। ৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা মেহেদী হাসান মিরাজ পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রান। ১১৪ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ৭ বাউন্ডারিতে। অন্যদিকে ৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা সৌম্য সরকার করেন ২৪ রান।
বাংলাদেশকে অলআউট করে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালো ছিল না। দলীয় ১৭ রানে তারা হারায় প্রথম উইকেট। এবাদত হোসেনের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে পাথুম নিসানকা ১৪ রানে ফেরার পর বড় জুটি পায় স্বাগতিকরা। আরেক ওপেনার সঙ্গীত কুরের সেঞ্চুরির সঙ্গে ওয়ান ডাউনে নামা কামিন্দু মেন্ডিসের হাফসেঞ্চুরিতে বড় স্কোরের ভিত পায় লঙ্কানরা।
দিনের শেষ ভাগে বাংলাদেশ উইকেট উৎসবে মাতলেও বোলিংয়ে হতাশার দিন কেটেছে। ৫৫ ওভার বল করে মুমিনুল হকরা তুলতে পেরেছে মাত্র ২ উইকেট। সফরকারী বোলারদের শাসন করে বড় স্কোরের ভিত গড়েছে শ্রীলঙ্কা।
স্বাগতিক ওপেনার কুরে ১৫১ বলে ১৫ বাউন্ডারিতে খেলেন ১০৪ রানের ঝলমলে ইনিংস। মিরাজের বলে সৌম্যকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। কামিন্দুকে অবশ্য আউট করা যায়নি। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে তিনিও হাঁটছেন সেঞ্চুরির পথে। ১৪১ বলে ৮ বাউন্ডারিতে ৭৯ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেছেন তিনি। তার সঙ্গে তৃতীয় দিন শুরু করবেন ৫ রানে অপরাজিত থাকা আশান প্রিয়াঞ্জন।
বোলিংয়ে হতাশার দিনে শ্রীলঙ্কার হারানো দুটি উইকেটের একটি নিয়েছেন এবাদত, অন্যটি শিকার মিরাজের।