ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করলেও সেখানেই লাল বলের ক্রিকেটে ব্যর্থতার সাগরে ডুবতে হয়েছে ওয়ার্নারকে। অ্যাশেজের পাঁচ ম্যাচে তার গড় ৯.৫০। বেশিরভাগ ইনিংসেই আউট হয়েছেন তিনি স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে। অ্যাশেজের ১০ ইনিংসে মাত্র দুইবার যেতে পেরেছিলেন দুই অঙ্কের ঘরে, যেখানে সর্বোচ্চ রান ৬১। ম্যানচেস্টার টেস্টের দুই ইনিংসে তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি ওয়ার্নার!
ধারাবাহিক ব্যর্থতার পরও ওয়ার্নারের ওপর আস্থা রাখছেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়ক পেইন। ১৮ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে গিয়ে অ্যাশেজ ধরে রাখার উৎসব শেষে ঘরের মাঠের মৌসুমে চোখ রাখছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ান সামারের শুরুতেই তারা খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২১ থেকে ২৫ নভেম্বর গ্যাবার এই ম্যাচে ওয়ার্নারের খেলার নিশ্চয়তা আছে কিনা, এমন প্রশ্নে পেইন বলেছেন, ‘আমার মতে সে (ওয়ার্নার) খেলবে। ওর ক্রিকেট ভাণ্ডারে অনেক কিছু জমা আছে। আর আমরা সবাই জানি ও কেমন খেলোয়াড়।’
অ্যাশেজ ব্যর্থতার পর বিশ্রামে আছেন ওয়ার্নার। তবে শিগগিরই মাঠে ফিরছেন তিনি শেফিল্ড শিল্ড দিয়ে। নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় দুই বছর পর ঘরোয়া এই প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। ইংল্যান্ডের হতাশা ভুলে নতুন রূপে তিনি হাজির হবেন বলে বিশ্বাস পেইনের।
অ্যাশেজে ওয়ার্নারের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়কের বক্তব্য, ‘ইংল্যান্ডে ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করা খুব কঠিন, বিশেষ করে যদি আপনি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান হোন, আর মুখোমুখি হতে হয় স্টুয়ার্ট ব্রডের। ওটা খুব কঠিন সময় ছিল ডেভিডের (ওয়ার্নার) জন্য। তবে সে সহ চারপাশে আমাদের যে সব সিনিয়র খেলোয়াড় আছে, সবাই দুর্দান্ত।’