প্রথম ম্যাচে ব্যাট-বলে সমান তালে পারফর্ম করেছেন মিরাজ। ব্যাটিংয়ে ৫৭ রান করার পর বল হাতে নিয়েছিলেন ৫ উইকেটে। পারফরম্যান্সের ধারা সচল রেখেছেন তিনি হাম্বানতোতার দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচেও। প্রথম দিন শেষে শ্রীলঙ্কার হারানো ৫ উইকেটে তিনটি তার শিকার, বাকি ২ উইকেট নিয়েছেন পেসার এবাদত হোসেন।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা লঙ্কানরা প্রথম উইকেট হারায় দলীয় ৩২ রানে। বাংলাদেশেকে সাফল্য এনে দেন মিরাজ। এই স্পিনারের বলে ১৭ রান করা সঙ্গীত কুরে ধরা পড়েন নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে। শুরুর ধাক্কা অবশ্য কাটিয়ে ওঠে স্বাগতিকরা দ্বিতীয় উইকেটে জুটিতে। ওপেনার পাথুম নিসানকার সঙ্গে ১২১ রানের জুটি গড়েন ওয়ান ডাউনে নামা কামিন্দু মেন্ডিস। দুজনই পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি।
মিরাজই ভাঙেন তাদের প্রতিরোধ। ৬২ রান করা কামিন্দুকে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের গ্লাভসবন্দী করে ফেরান ডানহাতি স্পিনার। বাংলাদেশের তৃতীয় সাফল্যও আসে মিরাজের হাত ধরে। হাফসেঞ্চুরি করে সেঞ্চুরির পথে হাঁটা নিসানকাকে প্যাভিলিয়নে ফেরান তিনি ৮৫ রানে।
মিরাজের পর উইকেট উৎসবে মাতেন এবাদত। দারুণ শুরু পেলেও এই পেসারের বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের অধিনায়ক আসান প্রিয়াঞ্জনকে। খানিক পর প্রিয়ামাল পেরেরাও (৪) শিকার এবাদতের। দিনের বাকিটা পার করে দিয়েছেন চারিথ আসালঙ্কা (১৭*) ও লাহিরু উদারা (২*)।
মিরাজ ৩১ ওভারে ৬৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। আর এবাদত ১৭ ওভারে ৫১ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট।