স্বাগতিকদের ২৬৮ রানে অলআউট করতে মিরাজ নিয়েছেন ৭ উইকেট। এরপর মুমিনুলের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ২৮৩ রানে দিন শেষ করে বাংলাদেশ। শনিবারের খেলা শেষ হওয়ার ৩ ওভার আগে সফরকারী দলের অধিনায়ক থামেন ১১৭ রানে।
প্রথম দিন শ্রীলঙ্কার ৫ উইকেটের তিনটি নিয়েছিলেন মিরাজ। ২২৩ রানে সকাল শুরু করে স্বাগতিকরা। লাহিরু উদারা ও চারিথ আসালানকার ৪৩ রানের জুটি ভেঙে দেন বাংলাদেশি স্পিনার। ৮৮তম ওভারে ২০ রানে নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসবন্দী হন উদারা। দুই বল পর নিশান পেইরিস বিদায় নেন মিরাজের কাছে এলবিডাব্লিউ হয়ে।
বাংলাদেশি অফস্পিনার তার পরের ওভারে আবারও জোড়া আঘাত করেন। প্রবাথ জয়াসুরিয়া ও মোহাম্মদ সিরাজ রানের খাতা না খুলে ক্যাচ দেন রিশাদ হোসেন ও মুমিনুলকে। মাত্র ১০ বল ও ৪ রানের ব্যবধানে দিনের ৫ উইকেটের চারটি নেন মিরাজ। একপাশ আগলে রাখা আসালানকাকে ৪৪ রানে মুমিনুলের ক্যাচ বানান সালাউদ্দিন শাকিল।
মিরাজ বাংলাদেশের পক্ষে সেরা বোলিং করেছেন, ৩৭ ওভারে ১৪ মেডেন সহ ৮৪ রান দিয়ে নেন ৭ উইকেট।
ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয় হোঁচট খেয়ে। মাত্র ২২ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় তারা। এরপর সাদমান ইসলামকে নিয়ে ১৫৪ রানের শক্ত জুটি গড়েন মুমিনুল। ১০৪ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে ৭৭ রানে আউট হন সাদমান।
মোহাম্মদ মিঠুনের (২১) সঙ্গে ৩৯ ও নুরুলের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়ার পর মাঠ ছাড়েন মুমিনুল। ১৯০ বলে ১৫ চার ও ১ ছয়ে ১১৭ রান করেন তিনি। ৩৫ রানে খেলছিলেন মিঠুন, মিরাজ ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩ উইকেট নেন সিরাজ, দুটি পান প্রবাথ।