রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে এনসিএলের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচটির প্রথম দুই দিন বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। তৃতীয় দিনে শুরু হওয়া সিলেট-চট্টগ্রামের ম্যাচ ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। সিলেটকে ১৬৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ব্যাট হাতে খুব একটা সুবিধাজনক জায়গা নেই চট্টগ্রাম। তৃতীয় দিন শেষ করেছে তারা ৬ উইকেটে ১৯১ রানে।
ইরফানের পেসের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট। এই পেসার ৫৭ রান দিয়ে পেয়েছেন ৬ উইকেট। তার সঙ্গে হাসান মাহমুদের ৩ উইকেটে মাত্র ৪৪.২ ওভারে অলআউট হয়ে যায় সিলেট।
ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রামও পড়ে কঠিন বিপদে। সতীর্থদের ব্যর্থতার মাঝে রান পেয়েছেন কেবল পিনাক ঘোষ। তৃতীয় দিন শেষে চট্টগ্রামের করা ১৯১ রানের মধ্যে ১০০ রানই তার। সেঞ্চুরি করার পরপরই প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেছেন টি-টোয়েন্টি ধাঁচে। ৮৩ বলের ইনিংস পিনাক সাজিয়েছেন ১৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায়।
সিলেটের সবচেয়ে সফল বোলার এনামুল হক জুনিয়র। বাঁহাতি স্পিনার ৩৫ রান দিয়ে পেয়েছেন ২ উইকেট। তার সমান উইকেট নিয়েছেন আবু জায়েদ রাহীও।
দ্বিতীয় স্তরে বরিশাল-ঢাকা মেট্রোর ম্যাচ তৃতীয় দিনেও শুরু করা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টি ও আউটফিল্ড ভেজা থাকায় প্রথম দুই দিনের মতো তৃতীয় দিনের খেলাও পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।