এনসিএলের পঞ্চম রাউন্ডে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে নেমেছে সিলেট। কক্সবাজারের শেখ কামাল স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে ঢাকা মেট্রোর ৮ উইকেটে ৩১১ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা পর অমিতের সেঞ্চুরিতে সিলেট দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ৩২২ রানে। ইতোমধ্যে ১১ রানের লিড নিয়েছে সিলেট।
এই লিডে সবচেয়ে বড় অবদান ১৮ বছর বয়সী অমিতের। চার নম্বরে নেমে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান খেলেছেন ১২৫ রানের ঝলমলে ইনিংস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের অভিষেকেই সেঞ্চুরি পাওয়া অমিত তার ১২৪ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৯ চার ও ১ ছক্কায়।
তার এই ইনিংসটির সঙ্গে আসাদউল্লাহ গালিব (৫৯), ইমতিয়াজ হোসেন (৩৩) ও অলক কাপালির (৩২) কার্যকরী ব্যাটিংয়ে লিড নিয়েছে সিলেট। তৃতীয় দিন শুরু করবেন রাহাতুল ফেরদৌস (৩০*) ও এনামুল হক জুনিয়র (২০*)।
ঢাকা মেট্রোর সবচেয়ে সফল বোলার শহীদুল আলম। ৬১ রান দিয়ে এই পেসারের শিকার ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ, শরিফউল্লাহ ও আল-আমিন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ঢাকা মেট্রো ৮ উইকেটে ৩১১ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। শামসুর রহমানের (১১৪) সেঞ্চুরির সঙ্গে কার্য়করী ভূমিকা রেখেছেন আল-আমিন (৬৯), রাকিন আহমেদ (৪৮) ও শরিফউল্লাহ (৩৮)।
বোলিংয়ে দারুণ সময় কাটিয়েছেন সিলেটের রেজাউর রহমান। এই পেসার ৬০ রান খরচায় পেয়েছেন ৫ উইকেট। ঢাকা মেট্রোর হারানো বাকি ৩ উইকেট নিয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র।
দ্বিতীয় স্তরে বরিশাল-চট্টগ্রামের ম্যাচের দ্বিতীয় দিনও পরিত্যক্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে প্রথম দিনও পরিত্যক্ত হয়েছিল বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়ামের ম্যাচটির।
প্রথম স্তরের ম্যাচে রংপুরকে ২৩৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষে ঢাকা বিভাগ ৫ উইকেটে করেছে ১৯৫ রান। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের এই ম্যাচেই ৫ উইকেট পেয়েছেন ঢাকার নাজমুল।
৬৫ রান খরচায় ৫ উইকেট পাওয়া এই স্পিনারের সঙ্গে জ্বলে উঠেছিলেন ঢাকার আরও দুই বোলার সালাউদ্দিন শাকিল (৩/৫৬) ও শাহাদত হোসেন (২/৫০)। তাদের সামনে সর্বোচ্চ ৭০ রানের ইনিংস খেলেন নাসির হোসেন। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী শুভ ৫৭ ও তাইবুর রহমান করেন ৪৭ রান।
রংপুরকে অলআউট করার পর ঢাকার শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না। দলীয় ১১ রানে তারা হারায় ওপেনার জয়রাজ শেখের (৯) উইকেট। ওই ধাক্কা কাটিয়ে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন রাকিবুল হাসান (৬৭) ও আব্দুল মজিদ (৫২)। তাইবুর রহমান করেন ৩৪। তৃতীয় দিন শুরু করবেন নাদিফ চৌধুরী (২৬*) ও আরাফাত সানি (২*)।
রংপুরের সবচেয়ে সফল বোলার মুকিদুল হাসান নিয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আরিফুল হক ও রিশাদ হোসেন।
মিরপুরে রাজশাহী-খুলনার প্রথম স্তরের ম্যাচের প্রথম দিন বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল। দ্বিতীয় দিনে খেলা হয়েছেন মাত্র ১২ ওভার। সে পর্যন্ত টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রাজশাহী কোনও উইকেট না হারিয়ে করেছে ৩৬। মিজানুর রহমান ২৬ রানে অপরাজিত, আর অভিষেক মিত্র অপরাজিত ৯ রানে।