জাতীয় লিগের চার ম্যাচই ড্র

নাসির হোসেনজাতীয় লিগের পঞ্চম রাউন্ডের চার ম্যাচের সবগুলো ড্র হয়েছে। প্রথম স্তরে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহীর সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই আছে খুলনা। তাদের টপকে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেছে ঢাকা, রংপুরের সঙ্গে ড্র করেছে তারা।

দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ঢাকা মেট্রোর সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিলেট। বরিশালে স্বাগতিকদের সঙ্গে চট্টগ্রামের ম্যাচ হয়েছে মাত্র ঘণ্টাখানেক। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে এই ম্যাচে, যার ফল নিশ্চিতভাবে হয়েছে ড্র।

মিরপুরে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৫৪ রানে শেষ দিন খেলতে নামে খুলনা। রাজশাহীর ১৫১ রানের জবাবে তারা গুটিয়ে যায় ২০১ রানে। রাজশাহীর অলরাউন্ডার ফরহাদ রেজা ৬ উইকেট নেন। বাকি চারটি উইকেটের দুটি করে পান মোহর শেখ ও মুক্তার আলী।

রাজশাহী দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে পেরেছে দুই সেশন। অভিষেক মিত্রর (৫১) হাফসেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ১৯১ রান করে তারা। খুলনার স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক ৪ উইকেট নেন। খুলনার পক্ষে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া রুবেল হোসেন হয়েছেন ম্যাচসেরা।

এই ম্যাচে সাড়ে ৩ পয়েন্ট পেয়েছে খুলনা। ৫ ম্যাচ শেষে ২৯.৯৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা। শেষ ম্যাচ তারা খেলবে ১৬ নভেম্বর দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকার বিপক্ষে।

ম্যাচসেরা নাসির হোসেনের অপরাজিত ১৬১ রানের দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্সে বগুড়ায় রংপুর দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ২৭১ রানে। ঢাকার বিপক্ষে তার ২৮৩ বলের ইনিংসে ছিল ১৯ চার ও একটি ছয়। ৫ উইকেটে ২০০ রানে দিন শুরু করেছিল তারা।

জয়ের জন্য ঢাকা লক্ষ্য পায় ২৮৪ রানের। লাঞ্চে যাওয়ার আগে ৪৪ রানে ২ ‍উইকেট হারালে সতর্ক ব্যাটিং করে তারা। রাকিবুল হাসান ১৭৩ বলে ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৪ উইকেটে ১৭৬ রানে খেলা শেষ করে ঢাকা। ২৪.১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে দলটি।

রাজশাহীতে দ্বিতীয় ইনিংসে রান পাহাড় গড়ে তোলে ঢাকা মেট্রো। মার্শাল আইয়ুবের ১৬৩ রানের সেরা পারফরম্যান্সে ৬ উইকেটে ৩৯৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে তারা। সিলেটের পক্ষে এনামুল হক জুনিয়র ও অলক কাপালি দুটি করে উইকেট পান।

৩৫৬ রানের লক্ষ্যে তৌফিক খান ও শানাজ আহমেদের ১২৪ রানের জুটিতে লড়াই করে সিলেট। ৪ উইকেটে ১৮৭ রানে দিন শেষ করে তারা। তৌফিক ৭৫ ও শানাজ ৬১ রান করেন। ঢাকা মেট্রোর পক্ষে তাসকিন আহমেদ ৩ উইকেট পান।

বরিশালে শেষ দিনও ছিল বৃষ্টির দাপট। ম্যাচ শুরু হয় বিকেল ৩টায়। বরিশাল টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ৭০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। চট্টগ্রাম কোনও উইকেট না হারিয়ে দিন শেষ করে ৪৫ রানে।