কলকাতায় শনিবারের খেলা শেষে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বিস্ময়ের সুরে বলেন, ‘ব্যাটিং নেওয়ায় আমি সত্যিই আশ্চর্য হয়েছি। কারণ আগের দিনও কথা হয়েছে। কোচ-অধিনায়ক দুজনেই বলেছে, ফিল্ডিং নেবে। কারণ এখানে পরে ব্যাটিং করাই যুক্তিযুক্ত। তারপরও টসে জিতে যখন দেখেছি ব্যাটিং নিয়েছে, তখনই প্রথম ধাক্কা খাই। আত্মবিশ্বাসহীনতার কারণে এমনটা হলো কিনা জানা নেই।’
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ধৈর্য্য কম দাবি করলেন নাজমুল হাসান, ‘টেস্টে আমাদের খেলোয়াড়রা ধৈর্য্য ধরতে পারে না। টেম্পারমেন্ট নেই। তারা অফ স্টাম্পের বাইরে বেশি শট খেলতে চায়। এত মারার কী দরকার।’
অবশ্য ভারতের সঙ্গে নিজেদের তফাত বুঝতে পারছেন তিনি, ‘আমরা শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলছি। তারা এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। ওদের মাটিতে খেলা আরও কঠিন। টেস্টে আমরা সবচেয়ে বেশি দুর্বল। এই ফরম্যাট নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।’
ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ দলের একাদশ নিয়ে এলোমেলো অবস্থা। দলে কি ব্যাপআপ খেলোয়াড় রাখা যেতো না, এই প্রশ্নে নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন আরও দুটো খেলা চলছে। আজকে (শনিবার) ইমার্জিং কাপের ফাইনাল হলো। তবে ব্যাকআপ ছিল। এত বেশি ইনজুরির সমস্যা হবে, সেটা কি আর ভেবেছিলাম!’