পাকিস্তান ক্রিকেট দলে সর্বশেষ এবং দ্বিতীয় হিন্দু সদস্য হিসেবে খেলা কানেরিয়া বলেছেন, তার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের দাবিটা শোয়েব আখতারই প্রথম করেছেন এবং তার সাবেক সতীর্থ যা বলেছেন তাতে তিনি শুধু সায় দিয়ে গেছেন। ‘যারা বলছেন সস্তা নাম কামাতে আমি এটা করেছি, তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই আমি এটি করিনি, জাতীয় টেলিভিশনে শোয়েব আখতারই আমার বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের বিষয়টি তুলেছেন’-বলেছেন কানেরিয়া।
অনুচ্চারে মিয়াঁদাদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক লেগস্পিনার, ‘আপনি আমার হাত-পা কেটে ফেলেছেন। আমি এত লম্বা সময় ধরে বেকার। আর কী চান আপনি? নিজেকে নিজেই শেষ করে দিই?’
‘টাকার বিনিময়ে সে যেকোনও কিছু করতে পারে’- বলে মিয়াঁদাদ ২০১২ সালে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সময় ফিক্সিংয়ের দায়ে কানেরিয়ার আজীবন নিষিদ্ধ হ্ওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। কিন্তু এই ফিক্সিংয়ের সূত্র ধরেই পাকিস্তানের সর্বকালের অন্যতম প্রভাবশালী ক্রিকেট ব্যক্তিত্বকে, এমনকি পাকিস্তানের ক্রিকেটকেই নিদারুণ এক সত্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন কানেরিয়া। পরিষ্কার করে কারও নাম করেননি, তবে বলেছেন পাকিস্তানের অনেক খেলোয়াড়ই ম্যাচ পাতিয়ে ‘দেশ বিক্রি’ করেছেন। সেই তাদেরই আবার সাদরে বরণ করে নেওয়া হয়েছে দলে, ‘লোকে বলছে আমি পাকিস্তানের হয়ে ১০ বছর খেলেছি। কিন্তু আমি ১০ বছর খেলেছি আমার রক্তের বিনিময়ে। ক্রিকেট পিচে আমি রক্ত ঢেলে দিয়েছি। আমার আঙুল ফেটে রক্ত ঝরছে, এ অবস্থায়ও আমি বোলিং করে গেছি। অনেক লোকই দেশ বিক্রি করেছে, তবু তারা এখনও বরণীয় দলে। টাকার জন্যে আমি কখনও আমার দেশ বিক্রি করিনি।’