অসুস্থতার হানায় নিউজিল্যান্ড একাদশে বড় পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়। নেই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, মিচেল স্যান্টনার ও হেনরি নিকোলস। আগেই ছিটকে গেছেন টিম সাউদি ও ট্রেন্ট বোল্ট। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরের পর প্রথমবার একই সঙ্গে টেস্টে নেই উইলিয়ামসন, সাউদি ও বোল্ট।
টম ল্যাথামের নেতৃত্বে নামা নিউজিল্যান্ড দলে অভিষেক হয় গ্লেন ফিলিপসের। নতুন করে দলে ঢোকেন জিত রাভাল, টড অ্যাস্টল, উইলিয়াম সমারভিল ও ম্যাট হেনরি।
নতুন চেহারার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিং নেয় অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে জো বার্নস (১৮) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেননি। ডি গ্র্যান্ডহোমের কাছে উইকেট হারান রস টেলরকে ক্যাচ দিয়ে। ডেভিড ওয়ার্নার অল্পের জন্য পারেননি ফিফটি উদযাপন করতে। ৪৫ রান করে নিল ওয়াগনারের শিকার হন এই ওপেনার, ৮০তম বলে ক্যাচ দেন ডি গ্র্যান্ডহোমকে।
ডি গ্র্যান্ডহোমের কাছে স্মিথের ৬৩ রানের ইনিংস থামলে ১৫৬ রানের শক্ত জুটি বিচ্ছিন্ন হয়। তবে স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাটিংয়ে কিউই বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছেন লাবুশেন। ২১০ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে ১৩০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার সঙ্গে ৩২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ার পথে অপরাজিত ম্যাথু ওয়েডের ব্যাটে আসে ২২ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর-
প্রথম দিন শেষে,
অস্ট্রেলিয়া- ২৮৩/৩ (ওয়ার্নার ৪৫, স্মিথ ৬৩, লাবুশেন ১৩০*; গ্র্যান্ডহোম ২/৬৩)