এই রহস্যের জট খুলতে পারছেন না গুয়াহাটি স্টেডিয়ামের দেখভাল করা আসাম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এসিএ) সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। খেলোয়াড়েরা যেখানে মাঠ থেকে চলে গেছেন, তখন ম্যাচ অফিসিয়ালদের মাঠ পরিদর্শনের কারণ বুঝতে পারছেন না তিনি।
স্থানীয় সময় রাত ৯-৩০ মিনিটে শেষবার মাঠ দেখতে এসেছিলেন ম্যাচের তিন আম্পায়ার-শামসুদ্দিন, নিতিন মেনন, অনিল চৌধুরী ও ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন। অথচ ৯টার সময় ভারত ও শ্রীলঙ্কা দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় বেরিয়ে যান মাঠ থেকে। সাইকিয়া আরও রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন, কারণ ম্যাচ অফিসিয়ালরা যেখানে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন পৌনে ৯টার মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী করতে না পারলে পরিত্যক্ত হয়ে যাবে ম্যাচ । সেখানে সাড়ে ৯টায় মাঠ পরিদর্শনের কারণ কী ছিল, সেই উত্তর খুঁজছেন তিনি।
ভ্যাবাচ্যাকা লাগার আরও কারণ আছে সাইকিয়ার, ‘১ ঘণ্টা ৩ মিনিট ধরে খুব বৃষ্টি হয়েছে। আম্পায়াররা বললেন, আমাদের রাত ৮-৪৫ মিনিটের মধ্যে মাঠ তৈরি করতে হবে , তা না হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়ে যাবে। আমাদের সময় দেওয়া হয়েছিল ৫৭ মিনিট, আরেকটু সময় পেলে আমরা মাঠ ঠিক করতে পারতাম।’
প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় এখন থাকতে হচ্ছে ইন্দোরের দ্বিতীয় ম্যাচের অপেক্ষায়। আগামীকালই অবশ্য (মঙ্গলবার) মাঠে নামছে ভারত-শ্রীলঙ্কা।