সোমবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
শাহরিয়ার খান বলেন, ‘আমিরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বোর্ডের কোনো তাড়া নেই।’ যদিও তিনি এ সময় আমিরের সাম্প্রতিক ঘরোয়া ম্যাচসহ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ টুর্নামেন্টে তার নজরকাড়া পারফরমেন্সের প্রশংসা করেন।
শাহরিয়ার খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমির দারুন পারফরমেন্স করছে এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তাকে আরও কিছু দিন পর্যবেক্ষণ করা হবে।
স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছর সবধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ এই নির্বাসন শেষে ক্রিকেটে ফিরেই আমির কায়েদ-ই-আজম ট্রফির চারটি কোয়ালিফাইং ম্যাচে ২২ উইকেট শিকার করেন।
এরপর পাকিস্তান প্রিমিয়ার লীগের প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টে ১৭ উইকেট নেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চট্টগ্রাম ভাইকিংয়ের হয়ে ৮ ম্যাচ থেকে ১১ উইকেট নিয়েছেন।
দুবাইয়ে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ‘এ’ দলের চলমান আনঅফিসিয়াল টি২০ সিরিজের স্কোয়াডে আমিরকে অন্তর্ভুক্ত করতে নির্বাচকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও শাহরিয়ার খান এ সময় সাংবাদিকদের জানান। এছাড়াও পিসিবি প্রধান ভারতের বিপক্ষে সিরিজের আমিরের থাকার সম্ভাবনাকেও নাকচ করে দেন।
এর আগে, সাবেক অধিনায়ক এবং পাকিস্তান সুপার লীগের (পিএসএল) অ্যাম্বাসেডর রমিজ রাজা, আমিরের প্রতি পিসিবির সহানুভূতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে ক্ষমতা দেওয়া হলে তিনি তরুণ এই ফাস্ট বোলারকে কখনই খেলার জন্য ডাকবেন না।
বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের কোচ ওয়াকার ইউনুস আমিরের ভবিষ্যত নিয়ে শাহরিয়ার খানের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আমিরকে সমর্থন করে ওয়াকার ইউনুস বলেন, ‘আমির তার অপরাধের শাস্তি পেয়েছে এবং তিনি তার পাপকে শুধরে আবার ক্রিকেটে ফিরে এসেছে। আমরা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমিরকে সুযোগ দিতে চাই।’
ওয়াকার জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারীর পরে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে শাস্তি পাওয়া সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে
লর্ডসে ২০১০ সালের টেস্ট ম্যাচে স্পট-ফিক্সিং কাণ্ডে দুই ক্রিকেটার সলমান বাট এবং মোহাম্মদ আসিফের সঙ্গে দোষী প্রমাণিত হন আমির। সূত্র: ডন নিউজ
/আরএ/