পাকিস্তানে নতুন শুরুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ

অনুশীলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হকটেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বরাবরই হতাশাজনক। দুই দশক পেরিয়ে গেলেও এই সংস্করণে এখনও আশানুরূপ সাফল্য আসেনি। সাদা পোশাকে গত বছরের চিত্র তো আরও ভয়াবহ। পাঁচ টেস্টের সবক’টিতে হেরেছে বিশাল ব্যবধানে! এমন বাজে অভিজ্ঞতা সঙ্গী করে বছরের প্রথম টেস্টে নামছে বাংলাদেশ। রাওয়াপিন্ডির ম্যাচ দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন শুরুর প্রত্যাশা অধিনায়ক মুমিনুল হকের।

আগামীকাল (শুক্রবার) দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে নামবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। এটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের তৃতীয় ম্যাচ। গত বছর ভারতের বিপক্ষে খেলা দুই ম্যাচেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল তারা। সব মিলিয়ে ২০১৯ সালে হার পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই। এর মধ্যে দেশের বাইরে খেলা চার টেস্টেই রয়েছে ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা। কেবলমাত্র চট্টগ্রামে বৃষ্টির ‘আর্শিবাদে’র পরও ২২৪ রানে হেরেছিল আফগানিস্তানের কাছে।

নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও ভারতের হতাশা কি দূর হবে পাকিস্তানে? মুমিনুল হক কিন্তু আশাবাদী। পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ দিয়ে নতুন শুরুর প্রত্যাশা তার, ‘আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। এটা সত্যি দেশের বাইরে খুব একটা ভালো খেলিনি। চেষ্টা করছি, এখান (পাকিস্তান) থেকে শুরু করার। এখন নিজেদের উন্নতির দিকে মনোযোগ আমাদের।’

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে কি পারবে হারের বৃত্ত ভাঙতে? মুমিনুলের উত্তর, ‘দেখেন, একটা সময় এই টানা হারের বৃত্ত ভাঙতে হবে। আমরা এই ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী। টেস্ট চ্যাম্পিয়শিপে সব দলের জন্য প্রত্যেকটি ম্যাচ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের জন্যও যেমন গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের জন্যও তেমনটা।’

বৃহস্পতিবার একবেলা অনুশীলন করে শুক্রবার মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ফলে রাওয়ালপিন্ডির উইকেট ও কন্ডিশন সম্পর্কে খুব বেশি জানার সুযোগ হচ্ছে না তাদের। যদিও সেটির প্রভাব খুব বেশি পড়বে না বলেই মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘যে দেশে যাবেন, সে দেশের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে- এটাই স্বাভাবিক। আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। কন্ডিশন খুব ভালোই মনে হচ্ছে। একটু ঠাণ্ডা আছে, তবে সেটা কোনও সমস্যা নয়।’