সাইফ হাসান ও তামিম ইকবাল বিদায় নিলেন প্রথম ১০ বলেই। ৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন মুমিনুল হক। তাকে উপযুক্ত সঙ্গ দেন নাজমুল হোসেন। মুমিনুল ফিরে গেলেও নাজমুল দাঁত কামড়ে পড়ে আছেন ক্রিজে। প্রথম হাফসেঞ্চুরি থেকে ৬ রান দূরে থাকতে লাঞ্চে গেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান, ১০৪ বলে ৬ চারে ৪৪ রান তার। অন্য প্রান্তে ১৭ রানে অপরাজিত আছেন মাহমুদউল্লাহ।
প্রথম সেশনের শুরুটা ছিল পাকিস্তানের। প্রথম ২ ওভারে তারা বিদায় করে দুই ওপেনারকে। শাহীন শাহ আফ্রিদি বলে আসাদ শফিককে ক্যাচ দেন সাইফ হাসান। মাত্র ২ বল খেলে ‘ডাক’ মারেন তিনি। অথচ ম্যাচটা তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ছিল। পরের ওভারে তামিমও আউট হন। মোহাম্মদ আব্বাসের এলবিডাব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার নাইজেল ডি লং সাড়া না দিলে পাকিস্তান রিভিউ নেয়। গত সপ্তাহে পূর্বাঞ্চলের হয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে অপরাজিত ৩৩৪ রান করা তামিম মাত্র ৩ রানে বিদায় নেন।
দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়া বাংলাদেশকে উদ্ধার করেন মুমিনুল ও নাজমুল। পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল সফরকারীরা। কিন্তু শাহীন তাদের বিচ্ছিন্ন করেন। ৫৯ রানের জুটি গড়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ হন মুমিনুল। ৫৯ বলে ৫ চারে ৩০ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর নাজমুলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। তাতে প্রথম সেশন শেষে ঘুরে দাঁড়ানো বাংলাদেশকে দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ: মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, লিটন দাস (উইকেটকিপার), তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ, ইবাদত হোসেন।
পাকিস্তান: আজহার আলী (অধিনায়ক), শান মাসুদ, আবিদ আলী, বাবর আজম, হারিস সোহেল, আসাদ শফিক, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), ইয়াসির শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস, নাসিম শাহ, শাহীন আফ্রিদি।