পাকিস্তানকে এখনও অনিরাপদ মনে করে ক্রিকেট বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ। বাংলাদেশের যাওয়া নিয়েই তো কত জলঘোলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিন ধাপের সূচিতে হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর দ্বিতীয় ধাপে একটি টেস্ট শেষ করেছে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডির যে ম্যাচটি ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে সফরকারীরা। দেশ থেকে ঘুরে গিয়ে তৃতীয় ধাপে করাচিতে খেলবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ওই ম্যাচটি গোলাপি বলে করার পরিকল্পনা পিসিবির।
বাংলাদেশের দিবা-রাত্রির টেস্টে অভিষেক গত বছরে। ভারতের মাটিতে কলকাতায় খেলেছে গোলাপি বলের ম্যাচ। পাকিস্তানও ফ্লাডলাইটের আলোয় টেস্ট খেলেছে। তবে দেশের মাটিতে নয়। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে নতুন আঙিনায় পা রাখতে চায় তারা। এপ্রিলে করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া টেস্টটি গোলাপি বলে আয়োজনের ইচ্ছার কথা শুনিয়েছেন পিসিবির প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান।
বাংলাদেশকে প্রস্তাব পাঠিয়ে পিসিবি এখন বিসিবির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। দিবা-রাত্রি টেস্ট প্রসঙ্গে ওয়াসিম বলেছেন, ‘পাকিস্তানে টেস্ট ক্রিকেট ফিরেছে। অনেক দেশ দিবা-রাত্রির টেস্ট আয়োজন করছে, আমরাও আমাদের ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ সুযোগটা দিতে চাই এবং আয়োজন করতে চাই গোলাপি বলের ম্যাচ।’
বাংলাদেশকে নিয়ে যাওয়ার সাফল্যের মাঝেই পিসিবি জানিয়েছিল তাদের পরবর্তী লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকাকে আনা। দুই বোর্ডের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পিসিবির প্রধান নির্বাহী, ‘১৮ মার্চ ভারত সফর শেষ হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। ওদিকে পিএসএল শেষ হবে ২২ মার্চ। আমরা (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) প্রথম ম্যাচ ২৪ মার্চ আয়োজন করতে পারি।’