ছোটদের থেকে অনেক শেখার আছে, টেস্ট হেরে বলেছেন মুমিনুল

মুমিনুল হকইন্দোর আর ইডেনের পর রাওয়ালপিন্ডিতে আরও একটি টেস্ট ইনিংস ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। তামিম-মুমিুনুলরা যথন ব্যর্থতার মিছিলে শামিল, যুবারা তখন বিশ্বজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা। ছোটদের নিবেদন দেখে দারুণ রোমাঞ্চিত বড়রা। আকবর-শামীম-মাহমুদুলদের কাছ থেকে শেখার অনেক কিছু আছে বলে মনে করেন অধিনায়ক মুমিনুল।

মুমিনুল হক রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট ইনিংস ব্যবধানে হারের পর গণমাধ্যমে এ কথা বলেছেন, ‘তারা মাঠে যেভাবে লড়াই করেছে, যে ধৈর্য্য দেখিয়েছে সেটা আমাদের শেখা উচিত। তাদের থেকে আরেকটি বিষয়ও নিতে পারি। তারা যেভাবে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখেছে এবং একে অপরের সাথে যেভাবে যোগাযোগ করেছে সেটাও আমরা গ্রহণ করতে পারি।’

তাহলে জুনিয়র টাইগাররা হতে যাচ্ছে সিনিয়রদের ‘রোল মডেল’। পাকিস্তানি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন এড়াতে পারেননি টেস্ট অধিনায়ক, ‘আপনি জুনিয়র কিংবা সিনিয়র যে কারো কাছ থেকেই কিন্তু শিখতে পারেন। আপনার শিখতে পারাটাই হচ্ছে মূল বিষয়। তারা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে কীভাবে বড় সাফল্য পেতে হয়। তারা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে। তাদের দলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।’

মুমিনুলের দৃষ্টিতে আকবরদের সাফল্যের রেসিপি হলো তাদের এক্যবদ্ধ মানসিকতা, ‘আমার কাছে মনে হয় যারা যুবদলের খেলোয়াড়, তারা খুব বেশি ক্ষুধার্ত ছিল। সবথেকে ভালো যে দিক, তারা দুই বছর একসঙ্গে খেলেছে। এটা খুবই ইতিবাচক দিক। একজন আরেকজনকে জানা, একজন আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বিশ্বাস করা এসবও কাজে দিয়েছে। মাঠে দেখেছেন হয়তো, একজন আরেকজনের জন্য চিৎকার করে যাচ্ছিল, যেভাবে ব্যাকআপ করছিল, সেখানে বিশ্বাস চলে আসে।’

যুবদল  থেকে ভবিষ্যতের জাতীয় দলের ক্রিকেটারা উঠে আসবেন বলে মনে করেন মুমিনুল, ‘এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন। এর থেকে বেশি কিছু আর হতে পারে না। আমার বিশ্বাস, এখান থেকে ছয়-সাত জন খেলোয়াড় পাওয়া যাবে পরে যারা বাংলাদেশ জাতীয় দলকে সাপোর্ট দিতে পারে।’

নিজেদে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন টেস্টের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মুমিনুল, ‘খুবই হতাশাজনক পারফরম্যান্স। কোনো অজুহাত দেবো না। আসলে আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে। আমাদের আমাদের ভুলগুলো শুধরাতে হবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এখনও ৮-৯টি ম্যাচ আছে। আশা করছি, আমরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।’