ওয়াসিম-ইমরানদের কাতারে মাশরাফি

301316জন্টি রোডস শুধু ফিল্ডিং দিয়েই দলে জায়গা করে নিতেন, আর বাংলাদেশের মাশরাফি মুর্তজার বেলায় সেটা অধিনায়কত্ব দিয়ে। বাস্তব অর্থেই পারফরম্যান্সের চেয়ে অধিনায়ক মাশরাফির ভূমিকাটাই ম্যাচে বেশি দেখা যায়। রবিবার বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি ওয়ানডে ইতিহাসের অনন্য একটি পাতায় নাম তুলেছেন। যেখানে আছেন ওয়াসিম আকরাম ও ইমরাখানের মতো কিংবদন্তিরা।

তবে মাইলফলকটা মাশরাফি আয়ারল্যান্ডেই স্পর্শ করতে পারতেন। কিন্তু গত দশ ম্যাচে মাত্র এক উইকেট নিতে পেরেছিলেন দেশসেরা পেসার। বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি। কার্ডিফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১ উইকেট নেওয়ার পর টানা পাঁচ ম্যাচে ছিলেন উইকেটশূন্য।  

ফলে ৯৮ উইকেট নিয়ে অপেক্ষাটা হয়েছে দীর্ঘ। অধিনায়ক হিসেবে ৯৮ উইকেট নেওয়া মাশরাফির অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়েছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে এসে। সহজ প্রতিপক্ষ হলেও রেকর্ড তো রেকর্ডই। এদিন জিম্বাবুয়ের দুই উইকেট নিয়ে ওয়াসিম আকরাম-ইমরান খানদের কাতারে ঢুকে পড়েন মাশরাফি।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অধিনায়ক চামু চিবাবাকে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানিয়ে উইকেট-খরা কাটান মাশরাফি। প্রথম স্পেলে টানা ছয় ওভার বোলিং করেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসেই তুলে নেন টিনোটেন্ডা মুতোম্বজির উইকেটটি।

অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে উইকেটের সেঞ্চুরির কীর্তি আছে কেবল চারজনের। এই রেকর্ডের খাতায় পঞ্চম নামটি বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফির। ১০৯ ম্যাচে ১৫৮ উইকেট নিয়ে সেই সম্ভ্রান্তদের চূড়ায় পাকিস্তানের  কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকার শন পোলক। প্রোটিয়াদের ৯৭ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে তার শিকার ১৩৪ উইকেট। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের একমাত্র বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। ১৩৯ ম্যাচে ১৩১ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।  ৮৬ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিয়ে জেসন হোল্ডার নিয়েছেন ১০১ উইকেট। সমানসংখ্যক ম্যাচে শত উইকেটের মালিক হলেন অধিনায়ক মাশরাফি।