বিয়ের পর প্রথম পা দিলেন ক্রিকেট পাড়ায়। দলবদল শেষে ক্রিকেটের বাইরে নতুন জীবন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতেই হলো সৌম্যকে। একলা জীবনে প্রিয়ন্তি সৌম্যর দায়িত্বটা বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই দায়িত্ব পালন করেই সৌম্য মাঠে ফিরতে উন্মুখ হয়ে আছেন, ‘পরিবর্তন কেমন, এখনও সময় পাইনি ওভাবে চিন্তা করার। বিয়ের পরপরই মাঠে চলে আসা…। একটু তো মনে হবেই যে আগে যখনই চাইতাম চলে আসতে পারতাম, দ্রুত আসতে পারতাম। এখন মনে হয় যে না একটা দায়িত্ব বেড়েছে। সবকিছু ম্যানেজ করেই আমাকে মাঠে আসতে হবে। এ দায়িত্বের পাশাপাশি আমার আসল দায়িত্বটাও পালন করার চেষ্টা করবো।’
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ভালো ইনিংস খেললেও নিজের ছায়া হয়েই ছিলেন লিটন দাস। কিন্তু বিয়ের পর পরই যেন বদলে গেছেন। একগুচ্ছ সাংবাদিকের সামনে লিটন বলেছিলেন কীভাবে তাকে বদলে দিয়েছেন তার স্ত্রী। সৌম্যকেও পড়তে হয়েছে এমন প্রশ্নের সামনে। সৌম্য অবশ্য দেখে শুনেই ব্যাট চালালেন, ‘মাত্র তো দু-চারদিন হলো। আরও সময় যাক, তখন হয়তো বলতে পারবো।’
আবাহনী ছেড়ে গাজী ক্রিকেটার্সে নাম লিখিয়ে সৌম্য দারুণ রোমাঞ্চিত, ‘আমাদের দলটি ভালো হয়েছে। এখানে জুনিয়র-সিনিয়রদের সমন্বয়ে ভালো একটি দল হয়েছে। আকবরদের মত খেলোয়াড় আছে, আরিফ ভাইদের মত খেলোয়াড় আছে। সবাই যদি সবার সেরাটা দিতে পারে তো প্রিমিয়ার লিগটা খুব ভালো যেতে পারে।’