১২ মাসে প্রথমবার প্রোটিয়াদের অন্যরকম আনন্দ

মালানের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জিতলো দক্ষিণ আফ্রিকাশ্রীলঙ্কাকে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশ করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, সেই ২০১৯ সালের মার্চে। ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ শুরুরও আগে। আরেক মার্চে এসে প্রথমবার সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলো প্রোটিয়ারা। অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ তে নিশ্চিত করলো স্বাগতিকরা।

গত বছর লঙ্কানদের ধবলধোলাই করার পর বিশ্বকাপ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৯ ম্যাচে মাত্র ৩ জয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ৭ নম্বরে থেকে। এরপর ভারত সফর এবং দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিততে পারেনি। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় টি-টোয়েন্টি সিরিজও। সেই অজিদের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখে ওয়ানডে সিরিজ জিতলো প্রোটিয়ারা।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে কোচের দায়িত্ব পাওয়া মার্ক বাউচার এবং নতুন অধিনায়ক কুইন্টন ডি ককও প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলেন। তার দল ব্লুমফন্টেইনে রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে জিতেছে। লুঙ্গি এনগিডির দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া ২৭১ রানে গুটিয়ে যায়। জেনমান মালানের প্রথম সেঞ্চুরি ও হেনরিক ক্লাসেনের ফিফটির পর ডেভিড মিলারের ছোট্ট ঝড়ে ৪৮.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ২৭৪ রান করে স্বাগতিকরা।

২৭২ রানের লক্ষ্যে নেমে তৃতীয় বলেই উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। কুইন্টন ডি কক রানের খাতা না খুলে বিদায় নেন। মিচেল স্টার্কের বলে অধিনায়ক আউট হলেও প্রোটিয়ারা পথে ফেরে মালান ও জন-জন স্মুটসের জুটিতে। ৯১ রান যোগ করেন তারা স্কোরবোর্ডে। স্মুটস ৪১ রানে আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পর স্বাগতিকরা তৃতীয় উইকেট হারায় কাইল ভেরায়েন্নের (৩) বিদায়ে। এরপর অবশ্য তারা লড়াইয়ে ফেরে মালানের সঙ্গে হেনরিক ক্লাসেনের জুটিতে।

ক্লাসেন ৫১ রানে বিদায় নিলে ভাঙে ৮১ রানের জুটি। ১২৪ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে সেঞ্চুরি করা মালান পরে মিলারকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জেতান। তাদের জুটি ছিল ৯০ রানের। মালান ১৩৯ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ২৯ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন মিলার।

আগামী ৭ মার্চ পচেফস্ট্রুমে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।