২০১৭ সালের আগস্টে বাংলাদেশের স্পিন কোচ হিসেবে কাজ শুরু করেন। ছিলেন গত বছরের জুলাই পর্যন্ত। সাবেক ভারতীয় স্পিনারের জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে। বাংলাদেশের দায়িত্ব ছাড়ার পর ভারতের স্পিন কোচ হওয়ার আবেদন করেন যোশি। ৪৯ বছর বয়সী সাবেক স্পিনারের এগিয়ে থাকার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। যদিও হয়নি। এখন সেটি ভাবলে ভালোই লাগার কথা যোশির, আরও বড় কিছুই যে ধরা দিলো।
সাবেক প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদের জায়গায় বসছেন সাবেক বাঁহাতি স্পিনার। ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি (সিএসি) বেছে নিয়েছে তাকে। মদন লালের নেতৃত্বে এই কমিটিতে আছেন আরপি সিং ও সুলক্ষ্মনা নায়েক। তারা যোশিকে প্রধান নির্বাচক করার সঙ্গে অন্য নির্বাচক হিসেবে বেছে নিয়েছেন হারবিন্দর সিংকে।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের জাতীয় দল ক্যারিয়ারে যোশি ১৫ টেস্টের সঙ্গে খেলেছেন ৬৯ ওয়ানডে। তার টেস্ট অভিষেক ১৯৯৬ সালে এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হলেও আঙুলের চোটে বোলিং করতে পারেননি। টেস্টে তার সেরা সময় আসে বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বের অভিষেক ম্যাচে। ২০০০ সালের যে ম্যাচে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশও।
যোশির কীর্তিতেই রক্ষা পেয়েছিল ভারত। আমিনুল ইসলামের ১৪৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে অভিষেক ইনিংসেই বাংলাদেশ করে ৪০০ রান। কঠিন পরীক্ষা দেওয়া ভারতের বোলারদের মধ্যে সফল ছিলেন যোশি, প্রথম ইনিংসে ১৪২ রান দিয়ে পেয়েছিলেন ৫ উইকেট। তবে এর চেয়েও বড় অবদান রাখেন তিনি ব্যাটিংয়ে। নাঈমুর রহমানের ঘূর্ণিতে পথ হারানো ভারতকে যোশি টেনে তোলেন আট নম্বরে নেমে ৯২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে। শেষ পর্যন্ত সফরকারীরা লিড নিয়েছিল অধিনায়ক সৌরভের সঙ্গে তার ১২১ রানের জুটিতে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রানে বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেওয়ার পথে যোশি নিয়েছেন আরও ৩ উইকেট।
সেই যোশি কোচিং ক্যারিয়ারে ছাপ ফেলে এবার নিলেন ভারতের প্রধান নির্বাচকদের দায়িত্ব। আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ পাওয়ায় খুশি তিনি, ‘এটা আমার জন্য অনেক গর্বের ও সম্মানের। খুব ভালো লাগবে আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ পেয়ে। আমার বিবেচনায় নেওয়ার জন্য সিএসির প্রতি কৃতজ্ঞ।’