অস্ট্রেলিয়াকে দক্ষিণ আফ্রিকার হোয়াইটওয়াশ

দলকে জয় এনে দিয়ে ক্লাসেনের উদযাপনঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় সিরিজ জিতলো দক্ষিণ আফ্রিকা। অজিদের বিপক্ষে সর্বশেষ ১২টি ওয়ানডের ১১টিতেই জয়ের স্বাদ পেলো তারা। পচেফস্ট্রুমে দাপুটে পারফরম্যান্সে ৬ উইকেটে জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ (৩-০) করেছে প্রোটিয়ারা। ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ৫-০ হোয়াইটওয়াশ হয়, দুই বছর পর অজিরা ঘরে হারে ২-১ ব্যবধানে।
ফিটনেস শঙ্কায় গত সেপ্টেম্বরে ভারত সফর থেকে ছিটকে পড়া জন-জন স্মুটস দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েই আজ জিতিয়েছেন প্রোটিয়াদের । ২৫৫ রানের লক্ষ্যে নেমে স্বাগতিকেরা ২৭ বল হাতে রেখে সহজে জিতেছে তার ক্যারিয়ার সেরা ৮৪ রানে। তার সঙ্গে টপ অর্ডারের অন্য চার ব্যাটসম্যানও অবদান রাখেন। বিশেষ করে হেনরিক ক্লাসেনের বড় ভূমিকা ছিল। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ১২৩ রান করা ব্যাটসম্যান সিরিজের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি করেছেন। ৬৩ বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ক্লাসেন। ২৪২ রান করে সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। তার হাতেই উঠেছে সিরিজসেরার পুরস্কার।

স্মুটসের প্রথম হাফসেঞ্চুরি উদযাপন৫৪ রানে দুই ওপেনার জেনমান মালান (২৩) ও ডি কক (২৬) বিদায় নিলে তৃতীয় উইকেট জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে প্রোটিয়ারা। কাইল ভেরেইনের সঙ্গে স্মুটসের ৯৬ রানের জুটিটাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাফসেঞ্চুরির পর আর একটিও রান যোগ করতে পারেননি ভেরেইন। এরপর স্মুটস ও ক্লাসেনের ৭৯ রানের জুটি দলকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে যায়। যদিও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়া হয়নি স্মুটসের।

ক্লাসেনের সঙ্গে মিলার সারেন বাকি কাজ। দুজনের অপরাজিত ২৯ রানের জুটিতে ৪৫.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৮ রান করে প্রোটিয়ারা। ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রান করার আগে বল হাতে দুটি উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা স্মুটস।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। স্টিভেন স্মিথ (২০) ও ডেভিড ওয়ার্নারের (৪) ব্যর্থতার দিনে জন্মভূমিতে সেঞ্চুরি করেন মার্নাস লাবুশেন। ১০৮ বলে ৮ চারে ১০৮ রান করেন জন্মসূত্রে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। শেষদিকে ডার্সি শর্ট (৩৬) ও মিচেল মার্শ (৩২) অস্ট্রেলিয়াকে এনে দেন ৭ উইকেটে ২৫৪ রানের সম্মানজনক স্কোর।

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে স্মুটসের মতোই ২ উইকেট নেন আনরিখ নর্কিয়া।