সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই ১২০

বাংলাদেশবোলিংয়ে দুর্দান্ত এক বাংলাদেশের দেখা মিললো। টস জিতে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ফিল্ডিংয়ের নেওয়ার সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেছেন বোলাররা। পেস নির্ভর বোলিং আক্রমণ অল্পতেই আটকে দিয়েছে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে। আল-আমিন ‍হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানের তোপে ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ে ৭ উইকেটে করেছে ১১৯ রান।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতেছে বাংলাদেশ। আজ শেষ ম্যাচটি জিতলে সিরিজও নিশ্চিত হয়ে যাবে স্বাগতিকদের। সেজন্য মাহমুদউল্লাহদের ১২০ বলে করতে হবে ১২০ রান।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় ম্যাচের একাদশে ফিরেই নিজেকে মেলে ধরলেন আল-আমিন হোসেন। এই পেসার পেয়েছেন ২ উইকেট। ৪ ওভারে খরচ মাত্র ২২ রান। টিনাশে কুমুনুকাম্বেকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেওয়া ডানহাতি পেসারের দ্বিতীয় শিকার রিচমন্ড মুটুম্বামিকে। একটু দেরিতে উইকেটের খাতা খেলা মোস্তাফিজুর রহমান এক ওভারে পেয়েছেন ২ উইকেট। ৪ ওভারে তিনি দিয়েছেন ২৫ রান।

আরেক পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও উইকেট উদযাপন করেছেন একবার। ৪ ওভারে তার খরচ ৩০। অভিষিক্ত পেসার হাসান মাহমুদ ৪ ওভারে দিয়েছেন ২৫ রান। উইকেটের ঘরটাও পূরণ হয়ে যেত যদি না ক্যাচ ছেড়ে দিতেন আল-আমিন। স্পিন আক্রমণে মেহেদী হাসান ৩ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। প্রথম বলেই উইকেট উদযাপন করা আফিফ হোসেন ১ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ২ রান।

বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পেরেছেন কেবল ব্রেন্ডন টেলর। এবারের বাংলাদেশ সফরের শেষ ম্যাচে এসে রান পেলেন সাবেক অধিনায়ক। ৪৮ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় তিনি অপরাজিত থাকেন ৫৯ রানে। আর ক্রেগ আর্ভিনের ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), মেহেদী হাসান, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন, হাসান মাহমুদ।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: টিনাশে কুমুনুকাম্বে, ব্রেুন্ডন টেলর, ক্রেগ আর্ভিন, ওয়েসলি মাদেভেরে, শন উইলিয়ামস (অধিনায়ক), সিকান্দার রাজা, রিচমন্ড মুটুম্বামি (উইকেটকিপার), টিনোটেন্ডা মুটুমবোজি, কার্ল মুম্বা, ক্রিস পোফু, চার্লটন শুমা।