স্বাগতিকদের সংগ্রহ কিন্তু খুব একটা বেশি নয়। তিন হাফসেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ২৫৮ রান। এই লক্ষ্যটাও বহুদূরের পথ হয়ে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ডের জন্য। ৪১ ওভারে সফরকারীরা অলআউট ১৮৭ রানে। বড় ব্যবধানের জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডেতে ১-০তে এগিয়ে গেছে অ্যারন ফিঞ্চরা।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়া পায় দুর্দান্ত শুরু। দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ যোগ করেন ১২৪ রান। দুজনই পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। ওয়ার্নার ৮৮ বলে ৯ চারে করেন ৬৭ রান। আর ফিঞ্চ ৭৫ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে করেন ৬০ রান।
তাদের শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি স্টিভেন স্মিথ (১৪) ও ডি’আর্চি শর্ট (৫)। ১৬৫ রানে ৪ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়াকে পথে ফেরান মার্নাস লাবুশেন ও মিচেল মার্শ। ভালো শুরুর পরও মার্শ বেশিদূর যেতে পারেননি, প্যাভিলিয়নে ফেরেন ২৭ রান করে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ ম্যাচে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে লাবুশেন খেলেন ৫৬ রানের ইনিংস। ৫২ বলের ইনিংসটি সাজান ২ বাউন্ডারিতে।
এরপর প্যাট কামিন্স (১৪*) ও মিচেল স্টার্কের (৯) ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৫৮ রানে ইনিংস শেষ করে স্বাগতিকরা। ইশ সোধি ৫১ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। আর ২টি করে উইকেট পেয়েছেন মিচেল স্যান্টনার ও লকি ফার্গুসন।
২৫৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই এলোমেলো নিউজিল্যান্ড। ওপেনিংয়ে মার্টিন গাপটিল ৪০ রান করলেও ব্যর্থ হয়েছেন হেনরি নিকোলস (১০), কেন উইলিয়ামসন (১৯) ও রস টেলর (৪)। ৩৮ রান করেন টম ল্যাথাম। আর ২৫ রান আসে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাট থেকে।
ব্যাট হাতে ২৭ রানের পর বোলিংয়ে ৭ ওভারে মাত্র ২৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট পাওয়া মার্শ জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। তার মতো ৩ উইকেট পেয়েছেন প্যাট কামিন্সও। আর ২টি করে উইকেট নিয়েছেন জস হ্যাজেলউড ও অ্যাডাম জাম্পা।