২০০৫ সাল থেকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন মুশফিক। কিন্তু লম্বা এই সময়ে কখনও আবাহনীতে খেলা হয়নি। এবার প্রথমবারের মতো আকাশি-নীল জার্সি পরে ২২ গজে নেমেছেন। খেলেছেন ম্যাচ জয়ী ১২৭ রানের ইনিংস। ম্যাচ শেষে মোহামেডান সমর্থক থেকে আবাহনী সমর্থক হওয়ার গল্পটাও শোনালেন মুশফিক।
মোহামেডান, লিজেন্ড অব রূপগঞ্জ, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সসহ নামিদামী অনেক ক্লাবেই খেলেছেন মুশফিক। কিন্তু খেলা হয়নি আবাহনীতে। এবার আবাহনীতে আসতে পেরে উচ্ছ্বসিত মুশফিক ভুগছিলেন স্নায়ুচাপে, ‘ সত্যি বলতে একটু নার্ভাস ছিলাম। আবাহনী সব সময় চ্যাম্পিয়ন দল গড়ে। লিগে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে চায়। সব মিলিয়ে কিছুটা চাপ ছিল। তবে মোসাদ্দেক ও সাইফউদ্দিন আমার চাপ কমিয়ে দিয়েছে।’
শৈশবে মোহামেডানের পাঁড়ভক্ত হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আবাহনীর ভক্ত হয়ে ওঠেন মুশফিক। বিকেএসপিতে থাকতেই আবাহনী-মোহামেডানের নানা গল্প শুনে বড় হওয়া মুশফিক স্মৃতির ভেলায় চেপে চলে যান পেছনে, ‘সত্যি বলতে ছোটবেলায় মোহামেডানের সাপোর্টারই ছিলাম। যখন দেখলাম আবাহনী সব সময় সেরা দল বানায় সে ক্রিকেটে হোক আর ফুটবলে এবং চ্যাম্পিয়ন হয়, তখন থেকেই আবাহনীর প্রতি আমার দুর্বলতা বাড়ে। সাপোর্টার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দলকেই বাছাই করতে চাইবে সবাই। সেদিক দিয়ে আমিও আবাহনীর সাপোর্টার হয়ে গেলাম। ’
আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। এখন আর সেই দিন নেই। এসব মনে করে হতাশা বাড়ে মুশফিকের, ‘আবাহনী-মোহামেডানের অনেক গল্প শুনে বড় হয়েছি। দুই দলের কেউ হেরে গেলে সমর্থকদের কারণে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে পারতেন না। আমাদের সেরকম ক্রেজ দেখার সৌভাগ্য হয়নি। হয়তো দর্শকেরা বেশি বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার কারণে প্রিমিয়ার লিগে খেলা দেখার সময় পান না।’