তবে ম্যাচ চললেও ম্যাচ চলাকালে ক্রিকেটারদের বেশকিছু সতকর্তা অলম্বন করার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। যেমন হ্যান্ডশেক করতে নিষেধ করা হয়েছে। পানি পানের বিরতিতে একটু দূরে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। পানির বোতলও আলাদা আলাদা রাখা হয়েছে, যে যার বোতলে খাচ্ছেন।
রবিবার সেঞ্চুরি পেয়েও মুশফিক স্বভাবগতভাবে অন্যপ্রান্তের ব্যাটসম্যানকে জড়িয়ে ধরেননি। শুধু গ্যালারির দিকে ব্যাট উঁচিয়ে উদযাপন করেছেন। তবে ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের হ্যান্ডশেক করতে দেখা গেছে। যদিও এটি সচেতনভাবে হয়নি।মুশফিক বললেন এটি হয়ে গেছে ভুলক্রমে, ‘মাঝে মাঝে ভুলে যাই। এটা নিয়ে সবাই একটু শংকিত। যতটুকু সচেতন এবং সতর্ক থাকা যায় সেটা চেষ্টা করা উচিত আমাদের।’
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের সব মিলিয়ে শ দেড়েক দর্শক ম্যাচটি উপভোগ করেছেন। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড প্রথম ম্যাচটির উদহারণ টেনে মুশফিক দর্শকদের সতর্ক করেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ম্যাচটাও দেখেছি, মাঠে কেউ ছিল না। বল বাউন্ডারিতে যাচ্ছে লকি ফার্গুসন নিজে গিয়ে বল কুড়িয়ে আনছে। আর এখানে বাংলাদেশের মানুষ তো ত্রিকেট পাগল। তারা যেন নিজেদের সচেতন রাখে বা বসলেও দূরত্ব বজায় রাখে। মাস্ক ব্যবহার করে। কারণ একজনের হলে অন্যজন আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। সবাইকে অবশ্যই সচেতন থাকা উচিত। তারা যদি আমাদের ভালোবাসতে পারে, আমাদেরও তাদের ভালোবাসা উচিত। আমার অনুরোধ সবাই যেন সচেতন থাকে।’