বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড স্থগিত

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগআগের দিনই শুরু হয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। এবার যেটির নামকরণ হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নামে। আজও ছিল ম্যাচ। যদিও করোনাভাইরাস আতঙ্কে প্রতিযোগিতা ঠিকঠাক এগোবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা ছিল যথেষ্টই। শেষ পর্যন্ত শঙ্কাটাই সত্যি হলো। দুই দিন না যেতেই স্থগিত করা হয়েছে ঢাকা লিগ, আপাতত শুধু দ্বিতীয় রাউন্ড।

আজ (সোমবার) এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিসিবি, ‘সূচি অনুযায়ী ১৮ ও ১৯ মার্চ হতে যাওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।’ স্থগিত হওয়া ম্যাচগুলো কবে হবে, সে ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

করোনা আতঙ্কে থমকে গেছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন। বাংলাদেশেও পড়েছে মহামারীতে রূপ নেওয়া ভাইরাসটির প্রভাব। আন্তর্জাতিক অনেক টুর্নামেন্ট বাতিল হলেও বিভিন্ন দেশ এখনও ঘরোয়া খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। বিসিবিও ঢাকা লিগের মধ্য দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যায় গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে সংবাদমাধ্যমকে বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান বলেছিলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলা অনেক জায়গাতেই চলছে। আমাদেরও চলবে, তবে দর্শকশূন্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ক্লাবগুলো খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে কোনও সমস্যা যদি মনে করে আর সরকার থেকে কোনও বাধা আসে তাহলে আমরাও নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবো।’

নাজমুলের বক্তব্যের দুই দিন পরই সরকার ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব খেলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। আজ বিকেলে সচিবালয়ে সভাকক্ষে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠককালে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এই সিদ্ধান্ত জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মন্ত্রীসভার বৈঠকে একজন মন্ত্রী বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন ক্রিকেট, ফুটবল টুর্নামেন্ট হচ্ছে, তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ঘরোয়া খেলা বন্ধ রাখবেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক কোনও ইভেন্ট যদি থাকে সেটিও এপ্রিলের পরে করার অনুরোধ করব।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘ক্রিকেট খেলায় বল করার সময় বল সুইং করানোর জন্য মুখের লালা ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্য ঝুঁকি। তাই আপাতত সব খেলা বন্ধ রাখাই ভালো।’