মাঠে থাকতে চান সৌম্য

সৌম্য সরকারকরোনাভাইরাসের প্রভাবে গতকাল (সোমবার) ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা স্থগিত হয়েছে। যদিও সৌম্য সরকার চাইছেন মাঠে থাকতে, অবশ্য সেটি করোনা মোকাবেলার যাবতীয় নির্দেশনা মেনেই।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা দারুণ কেটেছে সৌম্যর। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই শুরু করেছেন প্রিমিয়ার লিগ। কিন্তু করোনার কারণে লিগ হওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। যদিও তিনি জানিয়েছেন, তার মতো সব ক্রিকেটারই মাঠে ও খেলার মধ্যে থাকতে চান।

আজ (মঙ্গলবার) সংবাদমাধ্যমকে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘আমরা খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে থাকতে চাই, ফিরতে চাই। যেহেতু একটা ভাইরাসের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া। অবশ্যই সবকিছু চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে, তত তাড়াতাড়ি আমরা মাঠে নামতে পারব।’

সোমবার ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভা শেষে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সব খেলা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা শুনিয়েছেন। বিসিবি যদিও কেবল ঢাকা লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা স্থগিত করেছে। তবে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ৩১ মার্চ পর্যন্তই লিগ স্থগিত করার জোর সম্ভাবনা।

এই সময় খেলা না হলেও ফিটনেসের কাজ করবেন সৌম্য, ‘যে একটা রাউন্ড স্থগিত করা হয়েছে, এটা অবশ্যই সবার ভালোর জন্য। আশা করি দেশের মানুষ সুস্থ থাকবেন, আমরাও সুস্থ থাকব। সুস্থ থাকাটাই মুখ্য। এর মধ্যে ফিটনেসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকব। যখনই খেলতে বলবে, তখনই আমরা খেলার মানসিকতা নিয়ে প্রস্তুত থাকব।’

করোনাভাইরাসের কারণে প্রিমিয়ার লিগ শুরুর আগেই বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছিল বিসিবি। যেমন হ্যান্ডশেক করতে নিষেধ করা হয়েছে। পানি পানের বিরতিতে একটু দূরে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। পানির বোতলও আলাদা আলাদা রাখা হয়েছে। এগুলো মানলে নিরাপদ থাকা সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে সৌম্যর উত্তর, ‘এটা আমি বলতে পারব না, ডাক্তাররা ভালো বলতে পারবে। তবে ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক থাকা ভালো। যে নিয়মগুলো আছে সেগুলা মেনে চলছি। অনেকেই আছে যে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বেশি দেখছে, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে খেলোয়াড় হিসেবে আমি সবসময় মাঠে থাকতে চাই, খেলতে চাই।’