করোনার কারণে বাংলাদেশ, ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ প্রায় সব টেস্ট খেলুড়ে দেশ স্থগিত করেছে চলমান কিংবা নিকট ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। আইপিএলের মতো পিএসএলও স্থগিত করা হয়েছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটও বন্ধ করা হয়েছে।
কিন্তু জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি ও সামনের রোজার কথা বিবেচনা করে হলেও খেলা চালিয়ে যাওয়া উচিত বলে মনে করেন মাহমুদ, ‘আমরা খেলতে চাই। ছেলেদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি, সবাই খেলতে চায়। প্রিমিয়ার লিগ বন্ধ হয়ে গেলে সমস্যাটা ক্রিকেটারদেরই। স্বাভাবিকভাবেই সামনে রোজার মাস। এছাড়া সামনে বৃষ্টি মৌসুমও শুরু হচ্ছে। কষ্ট হবে খেলতে। তখন ঠিকমতো লিগ শেষ করাই কঠিন হয়ে যাবে। তারপরও এটা যেহেতু সরকারের সিদ্ধান্ত, প্রাধান্য দিতেই হবে।’
মাহমুদ জানেন করোনাতে বিপদ আছে, তবুও খেলোয়াড়দের ছাড়তে চাইছেন না। কিন্তু কেন? তার ব্যাখ্যা, ‘জানি করোনার একটা বিপদ আছে। এখানে একাডেমিতে আমরা যতটুকু নিরাপদ, বাইরে ছেলেরা যখন যাবে ওরা ততটা নিরাপদ থাকবে না। যত তাড়াতাড়ি মাঠে ফেরা যায়, ভালো হবে। ছেলেরা খেলতে চায়। আমি ছেলেদের এখান থেকে ছাড়তে চাই না।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘যখনই ওদের ছাড়বো, ওরা ওদের দেশের বাড়িতে যেতে চাইবে। পাবলিক জায়গা ব্যবহার করবে। সেটা কতটা সুরক্ষিত? আপনি তো সবাইকে চেনেনও না। কেউ যদি আক্রান্ত হয়, তাহলে তো খারাপই হবে ওদের জন্য। আমরা চাই ওদের এখানে রাখতে। দেখা যাক, বোর্ড থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে।’
শেষ পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হলে কী হবে? সেক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের জন্য থাকলো মাহমুদের ‘বিশেষ’ পরামর্শ, ‘খেলা শুরু না হলে ওদের (ক্রিকেটার) প্রতি বার্তা থাকবে, পাবলিক গাড়ি যত এড়িয়ে যাওয়া যাবে, ততই ভালো। বিদেশ থেকে প্রচুর লোক এসেছেন, এদের এড়িয়ে চলতে হবে। কেননা আমরা তাদের চিনবো না কিংবা চিনি না। ফলে জনসমাগমে কম যাওয়াটাই ভালো। আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে। আর করোনাভাইরাসের যে ভয়াবহতা চলছে, সেটা থেকে সবাই মুক্তি পাবে।’